বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার নালুয়া-পরাণপুর খালের ওপর নির্মিত অবৈধ মাটির বাঁধ উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খাদিজা আক্তার এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এই বাঁধ অপসারণের ফলে এলাকার শত শত মানুষের কৃষিকাজ ও ব্যবহারের পানির দীর্ঘদিনের সংকট নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নালুয়া-পরাণপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি বাবুল শেখ নামের স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁধ দিয়ে আটকে দিয়েছিলেন। মূলত নিজের ইটভাটার গাড়ি পারাপারের সুবিধার জন্য তিনি খালের প্রবাহ বন্ধ করে দেন। এতে খালের পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চাষাবাদ ও গৃহস্থালি কাজে তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়।
বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে, মঙ্গলবার সকালে ইউএনও খাদিজা আক্তারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বাঁধটি অপসারণ করা হয়। প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসি।
অভিযান চলাকালীন সময় ইউএনওথর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি আহসান হাবিব (ঠান্ডু), বড়বাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ সরদার এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী মনিরুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে খালের মাঝখানে বাঁধ দিয়ে বাবুল শেখ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা আজ বাঁধটি অপসারণ করেছি। এর ফলে এলাকার কৃষকরা দারুণভাবে উপকৃত হবেন এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হবে।"

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার নালুয়া-পরাণপুর খালের ওপর নির্মিত অবৈধ মাটির বাঁধ উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খাদিজা আক্তার এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এই বাঁধ অপসারণের ফলে এলাকার শত শত মানুষের কৃষিকাজ ও ব্যবহারের পানির দীর্ঘদিনের সংকট নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নালুয়া-পরাণপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি বাবুল শেখ নামের স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁধ দিয়ে আটকে দিয়েছিলেন। মূলত নিজের ইটভাটার গাড়ি পারাপারের সুবিধার জন্য তিনি খালের প্রবাহ বন্ধ করে দেন। এতে খালের পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চাষাবাদ ও গৃহস্থালি কাজে তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়।
বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে, মঙ্গলবার সকালে ইউএনও খাদিজা আক্তারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বাঁধটি অপসারণ করা হয়। প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসি।
অভিযান চলাকালীন সময় ইউএনওথর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি আহসান হাবিব (ঠান্ডু), বড়বাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ সরদার এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী মনিরুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে খালের মাঝখানে বাঁধ দিয়ে বাবুল শেখ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা আজ বাঁধটি অপসারণ করেছি। এর ফলে এলাকার কৃষকরা দারুণভাবে উপকৃত হবেন এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হবে।"

আপনার মতামত লিখুন