কেন্দ্রের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ নারীশিক্ষা ও মহিলাদের ক্ষমতায়নের অন্যতম প্রচারমূলক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের এই উদ্যোগ দেশজুড়ে প্রশংসিত। কিন্তু সেই নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত সুর শোনা গেল এনডিএ শাসিত বিহার থেকেই।
বিহারের শিক্ষামন্ত্রী মিথিলেশ তিওয়ারি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্নের উত্তরে বলেন— “মেয়েদের এত লেখাপড়া করে কী হবে? তারা বাড়ির কাজ করুক, পরিবার সামলাক।” তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকার নারীশিক্ষাকে এগিয়ে নিতে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করছে, তখন একই জোটের রাজ্যের একজন শিক্ষামন্ত্রীর মুখে এমন মন্তব্য শুধু নীতিগত বিরোধই নয়, বরং নারীর অধিকার ও অগ্রগতির পথে বড় বাধা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য সমাজে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্বকে খাটো করে এবং বহু বছর ধরে চলা নারীশিক্ষার লড়াইকে পিছিয়ে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মন্তব্য ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনা এনডিএ-র অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলছে—নারীশিক্ষা নিয়ে কি আদৌ ঐক্যবদ্ধ অবস্থান রয়েছে?
নারীশিক্ষা যখন দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি, তখন শিক্ষামন্ত্রীর এমন মন্তব্য শুধু বিতর্কই নয়—বরং এক গভীর মানসিকতার প্রতিফলন, যা আজকের ভারতের সঙ্গে কতটা সঙ্গতিপূর্ণ, সেই প্রশ্নই উঠছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
কেন্দ্রের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ নারীশিক্ষা ও মহিলাদের ক্ষমতায়নের অন্যতম প্রচারমূলক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের এই উদ্যোগ দেশজুড়ে প্রশংসিত। কিন্তু সেই নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত সুর শোনা গেল এনডিএ শাসিত বিহার থেকেই।
বিহারের শিক্ষামন্ত্রী মিথিলেশ তিওয়ারি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্নের উত্তরে বলেন— “মেয়েদের এত লেখাপড়া করে কী হবে? তারা বাড়ির কাজ করুক, পরিবার সামলাক।” তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকার নারীশিক্ষাকে এগিয়ে নিতে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করছে, তখন একই জোটের রাজ্যের একজন শিক্ষামন্ত্রীর মুখে এমন মন্তব্য শুধু নীতিগত বিরোধই নয়, বরং নারীর অধিকার ও অগ্রগতির পথে বড় বাধা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য সমাজে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্বকে খাটো করে এবং বহু বছর ধরে চলা নারীশিক্ষার লড়াইকে পিছিয়ে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মন্তব্য ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনা এনডিএ-র অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলছে—নারীশিক্ষা নিয়ে কি আদৌ ঐক্যবদ্ধ অবস্থান রয়েছে?
নারীশিক্ষা যখন দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি, তখন শিক্ষামন্ত্রীর এমন মন্তব্য শুধু বিতর্কই নয়—বরং এক গভীর মানসিকতার প্রতিফলন, যা আজকের ভারতের সঙ্গে কতটা সঙ্গতিপূর্ণ, সেই প্রশ্নই উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন