সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, হবে পুনর্মূল্যায়ন: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, হবে পুনর্মূল্যায়ন: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তিগুলো সরাসরি বাতিল না করে বরং সামগ্রিকভাবে পুনর্মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রয়োজনে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্তাবলীতে পরিবর্তন আনা হবে। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, চুক্তি বাতিলের আইনগত সুযোগ থাকলেও সরকার হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। তিনি দুটি বিকল্পের কথা উল্লেখ করেন: ১. ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে চুক্তি বাতিল করা। ২. আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্তে পরিবর্তন আনা।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সরাসরি বাতিলে না গিয়ে আগে সরকারি পর্যায়ে এটি পর্যালোচনা করা উচিত। চুক্তিটি রিকনসিডার বা পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ আমাদের আছে। যে জায়গাগুলো রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে হবে, সেগুলো নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশনে যেতে চাই।”

উপদেষ্টা জানান, এই বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “চুক্তিটি অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি বাতিল করলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে (পারস্পরিক শুল্ক) কী ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে, তা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়াটা থাকার চেয়েও বেশি ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।”

জনস্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন: কোনো কোনো চুক্তিতে গোপন রাখার শর্ত থাকলেও জনগণের অধিকার ও সংসদীয় প্রক্রিয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনায় রাখবে। অতীতে হওয়া জনগণের জন্য ক্ষতিকর প্রতিটি চুক্তির পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। চুক্তির তুলনায় সমঝোতা স্মারক থেকে বেরিয়ে আসা সহজ হবে, তবে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা এগ্রিমেন্টগুলোর ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে এগোবে সরকার।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক সরকার অনেক কিছু মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেয়। চুক্তি নিয়ে জনমনে বা সংবাদমাধ্যমে যেসব প্রশ্ন উঠছে, সরকার সেগুলোকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।”

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, হবে পুনর্মূল্যায়ন: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তিগুলো সরাসরি বাতিল না করে বরং সামগ্রিকভাবে পুনর্মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রয়োজনে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্তাবলীতে পরিবর্তন আনা হবে। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, চুক্তি বাতিলের আইনগত সুযোগ থাকলেও সরকার হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। তিনি দুটি বিকল্পের কথা উল্লেখ করেন: ১. ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে চুক্তি বাতিল করা। ২. আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্তে পরিবর্তন আনা।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সরাসরি বাতিলে না গিয়ে আগে সরকারি পর্যায়ে এটি পর্যালোচনা করা উচিত। চুক্তিটি রিকনসিডার বা পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ আমাদের আছে। যে জায়গাগুলো রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে হবে, সেগুলো নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশনে যেতে চাই।”

উপদেষ্টা জানান, এই বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “চুক্তিটি অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি বাতিল করলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে (পারস্পরিক শুল্ক) কী ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে, তা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়াটা থাকার চেয়েও বেশি ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।”

জনস্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন: কোনো কোনো চুক্তিতে গোপন রাখার শর্ত থাকলেও জনগণের অধিকার ও সংসদীয় প্রক্রিয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনায় রাখবে। অতীতে হওয়া জনগণের জন্য ক্ষতিকর প্রতিটি চুক্তির পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। চুক্তির তুলনায় সমঝোতা স্মারক থেকে বেরিয়ে আসা সহজ হবে, তবে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা এগ্রিমেন্টগুলোর ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে এগোবে সরকার।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক সরকার অনেক কিছু মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেয়। চুক্তি নিয়ে জনমনে বা সংবাদমাধ্যমে যেসব প্রশ্ন উঠছে, সরকার সেগুলোকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।”

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত