রংপুর মহানগরীর ৬ টি স্থানে ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে প্রথম দিনেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩০ টাকা এবং চিনির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ডাল ও চিনিতে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ভোক্তারা।
মঙ্গলবার (১৩ মে) দুপুর থেকে নগরীর সমবায় মার্কেটের সামনেসহ ছয়টি পয়েন্টে ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি শুরু হয়। সরেজমিন দেখা যায়, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ। তবে পণ্য কেনার পর ওজন নিয়ে শুরু হয় বাগ্বিতণ্ডা।
শালবন এলাকার বাসিন্দা মাহমুদা বেগম অভিযোগ করেন, তিনি দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনেছেন। বাসায় গিয়ে ওজন করে দেখেন ডালে ২০০ গ্রাম ও চিনিতে ১০০ গ্রাম কম রয়েছে। তিনি পণ্যগুলো নিয়ে আবার ট্রাকের কাছে ফিরে এলে ডিলারের লোকজন তার ওপর চড়াও হন। মাহমুদা বলেন, ‘ওজনে কম দেওয়ার প্রতিবাদ করলে তারা ধমক দিয়ে বলে ওজন একটু-আধটু কম হতেই পারে, পছন্দ না হলে ফেরত দিয়ে টাকা নিয়ে যান।’
একই অভিযোগ করেন গুপ্তপাড়া এলাকার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ডাল ও চিনি আগে থেকেই পলিথিনে প্যাকেট করে রাখা হয়েছে। ওজনে কম থাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুললে ডিলারের লোকজন কোনো সদুত্তর দেননি।
এদিকে ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটারে ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চাউল আমেসাদ এলাকা থেকে আসা আসমা বেগম বলেন, ‘এমনিতেই আয় বাড়েনি, তার ওপর সরকারি পণ্যের দাম এভাবে বাড়ানো আমাদের মতো গরিবের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।’ চিনিতেও কেজিতে ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মোস্তফা হোসেন নামের এক বৃদ্ধ ক্রেতা।
ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সমবায় মার্কেটের সামনের ট্রাক সেলের ম্যানেজার দুলাল। তিনি দাবি করেন, তারা ওজনে কম দিচ্ছেন না। পণ্য আগে থেকেই প্যাকেটজাত করে আনা হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে রংপুর টিসিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে কোনো কর্মকর্তাই এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
রংপুর মহানগরীর ৬ টি স্থানে ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে প্রথম দিনেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩০ টাকা এবং চিনির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ডাল ও চিনিতে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ভোক্তারা।
মঙ্গলবার (১৩ মে) দুপুর থেকে নগরীর সমবায় মার্কেটের সামনেসহ ছয়টি পয়েন্টে ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি শুরু হয়। সরেজমিন দেখা যায়, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ। তবে পণ্য কেনার পর ওজন নিয়ে শুরু হয় বাগ্বিতণ্ডা।
শালবন এলাকার বাসিন্দা মাহমুদা বেগম অভিযোগ করেন, তিনি দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনেছেন। বাসায় গিয়ে ওজন করে দেখেন ডালে ২০০ গ্রাম ও চিনিতে ১০০ গ্রাম কম রয়েছে। তিনি পণ্যগুলো নিয়ে আবার ট্রাকের কাছে ফিরে এলে ডিলারের লোকজন তার ওপর চড়াও হন। মাহমুদা বলেন, ‘ওজনে কম দেওয়ার প্রতিবাদ করলে তারা ধমক দিয়ে বলে ওজন একটু-আধটু কম হতেই পারে, পছন্দ না হলে ফেরত দিয়ে টাকা নিয়ে যান।’
একই অভিযোগ করেন গুপ্তপাড়া এলাকার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ডাল ও চিনি আগে থেকেই পলিথিনে প্যাকেট করে রাখা হয়েছে। ওজনে কম থাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুললে ডিলারের লোকজন কোনো সদুত্তর দেননি।
এদিকে ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটারে ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চাউল আমেসাদ এলাকা থেকে আসা আসমা বেগম বলেন, ‘এমনিতেই আয় বাড়েনি, তার ওপর সরকারি পণ্যের দাম এভাবে বাড়ানো আমাদের মতো গরিবের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।’ চিনিতেও কেজিতে ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মোস্তফা হোসেন নামের এক বৃদ্ধ ক্রেতা।
ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সমবায় মার্কেটের সামনের ট্রাক সেলের ম্যানেজার দুলাল। তিনি দাবি করেন, তারা ওজনে কম দিচ্ছেন না। পণ্য আগে থেকেই প্যাকেটজাত করে আনা হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে রংপুর টিসিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে কোনো কর্মকর্তাই এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন