সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থায়ী ঘর নির্মাণে উদ্বেগ, পৃথক কমিশনের দাবি


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থায়ী ঘর নির্মাণে উদ্বেগ, পৃথক কমিশনের দাবি
কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সিসিএনএফের সংবাদ সম্মেলন; রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ ও প্রত্যাবাসন কমিশন গঠনের দাবি। ছবি : সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের উদ্যোগে স্থায়ী ঘর (শেল্টার) নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ)। সংগঠনটি মনে করে, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে এবং এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে পৃথক ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিশন’ গঠনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১১ মে) সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। ‘কক্সবাজারে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, রোহিঙ্গা ত্রাণকার্যে স্থানীয় সরকার ও জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিসিএনএফ।

সংবাদ সম্মেলনে সিসিএনএফের কো-চেয়ার রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার এবং নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো প্রয়োজন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, ইউএনএইচসিআর ব্র্যাক ও ইনফিনিক্সের মাধ্যমে ক্যাম্পে স্থায়ী ঘর নির্মাণ করছে। স্থানীয় সরকার বা রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের সংস্থাগুলো স্থানীয় এনজিওগুলোকে পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে স্থানীয় এনজিওগুলোর জন্য বরাদ্দ তহবিলে বড় ধরনের বৈষম্য তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সিসিএনএফের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন, কোস্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মো. শাহিনুর ইসলাম ও তানজির উদ্দিন রনি, সিইএইচআরডিএফের প্রধান নির্বাহী মো. ইলিয়াস মিয়াসহ অন্যরা।

প্রশ্নোত্তর পর্বে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তিনি উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থায়ী ঘর নির্মাণে উদ্বেগ, পৃথক কমিশনের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের উদ্যোগে স্থায়ী ঘর (শেল্টার) নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ)। সংগঠনটি মনে করে, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে এবং এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে পৃথক ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিশন’ গঠনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১১ মে) সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। ‘কক্সবাজারে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, রোহিঙ্গা ত্রাণকার্যে স্থানীয় সরকার ও জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিসিএনএফ।

সংবাদ সম্মেলনে সিসিএনএফের কো-চেয়ার রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার এবং নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো প্রয়োজন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, ইউএনএইচসিআর ব্র্যাক ও ইনফিনিক্সের মাধ্যমে ক্যাম্পে স্থায়ী ঘর নির্মাণ করছে। স্থানীয় সরকার বা রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জাতিসংঘের সংস্থাগুলো স্থানীয় এনজিওগুলোকে পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে স্থানীয় এনজিওগুলোর জন্য বরাদ্দ তহবিলে বড় ধরনের বৈষম্য তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সিসিএনএফের সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন, কোস্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মো. শাহিনুর ইসলাম ও তানজির উদ্দিন রনি, সিইএইচআরডিএফের প্রধান নির্বাহী মো. ইলিয়াস মিয়াসহ অন্যরা।

প্রশ্নোত্তর পর্বে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তিনি উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত