সংবাদ

শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে পবিপ্রবিতে লাগাতার কর্মবিরতি


প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে পবিপ্রবিতে লাগাতার কর্মবিরতি
প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি। ছবি : সংবাদ

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য অপসারণের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের হামলা ও শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এর প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মঙ্গলবার (১২ মে) থেকে লাগাতার কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থবিরতা নেমে এসেছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, উপাচার্য অপসারণের চলমান আন্দোলন চলাকালে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে শিক্ষকদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছিত করেছে। তারা এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, খামার তত্ত্বাবধায়ক আবদুল্লাহ আল-নোমান, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. শহিদুল ইসলাম মৃধা, মোসা. ডলি বেগম এবং সেকশন অফিসার মোসা. নাসরিন বেগমসহ আরও অনেকে।

এদিকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এই কর্মসূচির কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে, উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী মো. রফিকুল ইসলাম অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে পবিপ্রবিতে লাগাতার কর্মবিরতি

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য অপসারণের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের হামলা ও শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এর প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মঙ্গলবার (১২ মে) থেকে লাগাতার কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থবিরতা নেমে এসেছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, উপাচার্য অপসারণের চলমান আন্দোলন চলাকালে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে শিক্ষকদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছিত করেছে। তারা এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, খামার তত্ত্বাবধায়ক আবদুল্লাহ আল-নোমান, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. শহিদুল ইসলাম মৃধা, মোসা. ডলি বেগম এবং সেকশন অফিসার মোসা. নাসরিন বেগমসহ আরও অনেকে।

এদিকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এই কর্মসূচির কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে, উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী মো. রফিকুল ইসলাম অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত