পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামীকাল ১৩ মে থেকে অনলাইনে শুরু হচ্ছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। ফিরতি টিকিট মিলবে ২১ মে থেকে। শতভাগ অনলাইনে এই টিকিট বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে রেলওয়ে। আর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি হবে ২১ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (১২ মে) রেলওয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, টিকিট শুধু বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ফেসবুক পেজ থেকে টিকিট কেনার চেষ্টা না করতে যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। এসব মাধ্যম ব্যবহার করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকছে।
ঈদযাত্রায় টিকিটের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড চাপ থাকে। এই সুযোগে প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো তৃতীয় পক্ষকে টিকিট বিক্রির অনুমতি দেয়নি।
যাত্রীদের উদ্দেশে রেলওয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘নির্ধারিত মাধ্যম ছাড়া টিকিট কেনার চেষ্টা করলে আপনি প্রতারণার শিকার হতে পারেন। তাই সতর্ক থাকুন।’
বিগত কয়েক বছরে ঈদযাত্রার সময় ভুয়া ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে টিকিট বিক্রির নামে প্রতারণার ঘটনা বেড়েছে। অনেক যাত্রী টাকা দিয়েও টিকিট পাননি। এসব ঘটনা এড়াতে এ বছর প্রশাসন আগেভাগেই সতর্কবার্তা দিচ্ছে।
এছাড়া শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রি ও যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাপের ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামীকাল ১৩ মে থেকে অনলাইনে শুরু হচ্ছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। ফিরতি টিকিট মিলবে ২১ মে থেকে। শতভাগ অনলাইনে এই টিকিট বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) থেকে ১৭ মে পর্যন্ত ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে রেলওয়ে। আর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি হবে ২১ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (১২ মে) রেলওয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, টিকিট শুধু বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ফেসবুক পেজ থেকে টিকিট কেনার চেষ্টা না করতে যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। এসব মাধ্যম ব্যবহার করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকছে।
ঈদযাত্রায় টিকিটের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড চাপ থাকে। এই সুযোগে প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো তৃতীয় পক্ষকে টিকিট বিক্রির অনুমতি দেয়নি।
যাত্রীদের উদ্দেশে রেলওয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘নির্ধারিত মাধ্যম ছাড়া টিকিট কেনার চেষ্টা করলে আপনি প্রতারণার শিকার হতে পারেন। তাই সতর্ক থাকুন।’
বিগত কয়েক বছরে ঈদযাত্রার সময় ভুয়া ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে টিকিট বিক্রির নামে প্রতারণার ঘটনা বেড়েছে। অনেক যাত্রী টাকা দিয়েও টিকিট পাননি। এসব ঘটনা এড়াতে এ বছর প্রশাসন আগেভাগেই সতর্কবার্তা দিচ্ছে।
এছাড়া শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রি ও যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাপের ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন