মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবৈধভাবে ভরাট করা সরকারি খালের বালু অপসারণ করেছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার চর বাউশিয়া বড় কান্দী এলাকায় মেঘনা নদীর 'গাদি কাটা' খাল থেকে এস্কেভেটর ( মাটি খননে ব্যবহৃত শক্তিশালী যন্ত্র) দিয়ে বালু অপসারণ করছেন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শ্রমিকেরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আগের দিন সোমবার (১১ মে) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরদিনই অভিযুক্ত কোম্পানিটি অবৈধভাবে ভরা খালটি থেকে বালু অপসারণের উদ্যোগ নেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চর বাউশিয়া মৌজার বড় কান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তি মালিকানাধীন তিন ফসলি জমিতে জোরপূর্বক বালু ভরাট করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাশের সরকারি খাল দখল করে ভরাট করে ফেলা হয়েছে।
এতে খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের কৃষিজমি ও গ্রামে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়।
সাহারা ট্রেডিং লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আলী আহম্মদ সাংবাদিকদের বলেন, "খালের উপর এটি স্থায়ী বাঁধ নয়। প্রকল্পের শ্রমিকদের চলাচলের সুবিধার জন্য সাময়িকভাবে একটি অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেটি অপসারণ করা হচ্ছে।"
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, অবৈধভাবে খাল দখলের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, তা প্রশাসন নিশ্চিত করবে।
স্থানীয় এমপি কামরুজ্জামান রতন বলেন, "খাল, কৃষিজমি কিংবা সরকারি জায়গা দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। স্থানীয়দের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"
সম্পর্কিত সংবাদ: অপরিকল্পিত শিল্পায়নে ‘কৃষিজমি-খাল দখল’

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবৈধভাবে ভরাট করা সরকারি খালের বালু অপসারণ করেছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার চর বাউশিয়া বড় কান্দী এলাকায় মেঘনা নদীর 'গাদি কাটা' খাল থেকে এস্কেভেটর ( মাটি খননে ব্যবহৃত শক্তিশালী যন্ত্র) দিয়ে বালু অপসারণ করছেন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শ্রমিকেরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আগের দিন সোমবার (১১ মে) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরদিনই অভিযুক্ত কোম্পানিটি অবৈধভাবে ভরা খালটি থেকে বালু অপসারণের উদ্যোগ নেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চর বাউশিয়া মৌজার বড় কান্দি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তি মালিকানাধীন তিন ফসলি জমিতে জোরপূর্বক বালু ভরাট করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাশের সরকারি খাল দখল করে ভরাট করে ফেলা হয়েছে।
এতে খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের কৃষিজমি ও গ্রামে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়।
সাহারা ট্রেডিং লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আলী আহম্মদ সাংবাদিকদের বলেন, "খালের উপর এটি স্থায়ী বাঁধ নয়। প্রকল্পের শ্রমিকদের চলাচলের সুবিধার জন্য সাময়িকভাবে একটি অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেটি অপসারণ করা হচ্ছে।"
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, অবৈধভাবে খাল দখলের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, তা প্রশাসন নিশ্চিত করবে।
স্থানীয় এমপি কামরুজ্জামান রতন বলেন, "খাল, কৃষিজমি কিংবা সরকারি জায়গা দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। স্থানীয়দের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"
সম্পর্কিত সংবাদ: অপরিকল্পিত শিল্পায়নে ‘কৃষিজমি-খাল দখল’

আপনার মতামত লিখুন