বান্দরবান সদর উপজেলার বাঘমারা বাজারে গভীর রাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে অন্তত দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
রবিবার (১৭ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ বাজারে আগুন দেখে স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন। আশপাশের লোকজন দ্রুত এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দোকান ও বসতঘরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে বাজারের অর্ধেকের বেশি অংশ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দোকানের সব মালামাল হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ৪ টি ইউনিট কাজ শুরু করে। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় অগ্নিনির্বাপণ কাজে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও একবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এই বাঘমারা বাজারটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
বান্দরবান সদর উপজেলার বাঘমারা বাজারে গভীর রাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডে অন্তত দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
রবিবার (১৭ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ বাজারে আগুন দেখে স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন। আশপাশের লোকজন দ্রুত এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দোকান ও বসতঘরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে বাজারের অর্ধেকের বেশি অংশ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দোকানের সব মালামাল হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ৪ টি ইউনিট কাজ শুরু করে। এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় অগ্নিনির্বাপণ কাজে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও একবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এই বাঘমারা বাজারটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন