সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম তাছলিমা খাতুন (৩৮)। তিনি সদর উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী সাদ্দাম হোসেন (৪২) পলাতক রয়েছেন। সাদ্দাম লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
নিহত তাছলিমার ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে। নিহতের মেয়ে সাদিয়া খাতুন জানায়, তার বাবা প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় মাকে হত্যার হুমকি দিতেন। শনিবার রাতে তার বাবা মাকে ডেকে পাশের ঘরে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর ওই ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে সাদিয়া বের হওয়ার চেষ্টা করলে দেখে, তাদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। সাদিয়ার দাবি, তার বাবাই মাকে গলা কেটে হত্যা করেছেন।
নিহতের বাবা নুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে তাছলিমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন সাদ্দাম। টাকা দিলে কিছুদিন ভালো থাকতেন। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ঘাতক স্বামীর ফাঁসি দাবি করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম তাছলিমা খাতুন (৩৮)। তিনি সদর উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী সাদ্দাম হোসেন (৪২) পলাতক রয়েছেন। সাদ্দাম লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
নিহত তাছলিমার ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে। নিহতের মেয়ে সাদিয়া খাতুন জানায়, তার বাবা প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় মাকে হত্যার হুমকি দিতেন। শনিবার রাতে তার বাবা মাকে ডেকে পাশের ঘরে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর ওই ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে সাদিয়া বের হওয়ার চেষ্টা করলে দেখে, তাদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। সাদিয়ার দাবি, তার বাবাই মাকে গলা কেটে হত্যা করেছেন।
নিহতের বাবা নুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে তাছলিমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন সাদ্দাম। টাকা দিলে কিছুদিন ভালো থাকতেন। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ঘাতক স্বামীর ফাঁসি দাবি করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন