পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে সম্ভাব্য দিন ধরে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে ঈদের দিন দেশে সাধারণত কোনো আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে না। এই কারণে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা এবং ঈদ ঘোষণার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী তিন দিনের টিকিট বিক্রি করার বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ের ঈদ কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র ট্রেনের টিকিট চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে বিক্রি করা হবে। যদি ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়, তবে ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট চাঁদ দেখা কমিটি ঈদের দিন ঘোষণার পরপরই অনলাইনের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
ইতোমধ্যে ঈদের আগের যাত্রার টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৩ মে দেওয়া হয়েছে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। একইভাবে পর্যায়ক্রমে ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ মে বিক্রি করা হয়েছে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট।
ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে আগামী ২১ মে থেকে ফিরতি ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৫ মে বিক্রি করা হবে যথাক্রমে ৩১ মে এবং ১, ২, ৩ ও ৪ জুনের ফিরতি যাত্রার টিকিট।
টিকিট ক্রয়ের নিয়মাবলী ও শর্তসমূহ:
টিকিটের সীমা: রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার এবং একবারে সর্বাধিক চারটি টিকিট কিনতে পারবেন।
রিফান্ড নীতি: ঈদের অগ্রিম যাত্রার টিকিট কোনোভাবেই রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য নয়।
স্ট্যান্ডিং টিকিট: আসন না পাওয়া যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন ট্রেনের মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ ‘স্ট্যান্ডিং’ বা আসনবিহীন টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও কালোবাজারিমুক্ত রাখতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে সম্ভাব্য দিন ধরে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। তবে ঈদের দিন দেশে সাধারণত কোনো আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে না। এই কারণে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা এবং ঈদ ঘোষণার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী তিন দিনের টিকিট বিক্রি করার বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ের ঈদ কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র ট্রেনের টিকিট চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে বিক্রি করা হবে। যদি ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়, তবে ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট চাঁদ দেখা কমিটি ঈদের দিন ঘোষণার পরপরই অনলাইনের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
ইতোমধ্যে ঈদের আগের যাত্রার টিকিট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৩ মে দেওয়া হয়েছে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। একইভাবে পর্যায়ক্রমে ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ মে বিক্রি করা হয়েছে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট।
ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে আগামী ২১ মে থেকে ফিরতি ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৫ মে বিক্রি করা হবে যথাক্রমে ৩১ মে এবং ১, ২, ৩ ও ৪ জুনের ফিরতি যাত্রার টিকিট।
টিকিট ক্রয়ের নিয়মাবলী ও শর্তসমূহ:
টিকিটের সীমা: রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার এবং একবারে সর্বাধিক চারটি টিকিট কিনতে পারবেন।
রিফান্ড নীতি: ঈদের অগ্রিম যাত্রার টিকিট কোনোভাবেই রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য নয়।
স্ট্যান্ডিং টিকিট: আসন না পাওয়া যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন ট্রেনের মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ ‘স্ট্যান্ডিং’ বা আসনবিহীন টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও কালোবাজারিমুক্ত রাখতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

আপনার মতামত লিখুন