সংবাদ

গুম রোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হতে হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১১:২২ এএম

গুম রোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হতে হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রস্তাবিত গুম সংক্রান্ত এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিষয়ক আইনগুলো কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

গতকাল রবিবার (১৭ মে) বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক অংশীজন সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর বক্তব্যে আইনের কার্যকারিতা নিয়ে দেশের প্রচলিত প্রবণতার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি আইনেই একটি ‘ওভাররাইডিং ক্লজ’ (অন্য আইনের ওপর প্রাধান্য পাওয়ার বিধান) যুক্ত করার প্রবণতা দেখা যায়। আমরা এমন কিছু লিখতে চাই, যা বাস্তবে প্রকৃতভাবে কার্যকর হবে। এটি কেবল লেখার জন্যই লেখা হওয়া উচিত নয়।"

তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে গুম থেকে সব ব্যক্তিকে সুরক্ষার আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে, যা প্রস্তাবিত এই আইনের শুরুতেই প্রতিফলিত হয়েছে।

আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ক্ষমতার সুষম বণ্টনের তাগিদ দিয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, "আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষকে কেবল নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেওয়ার চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় আরও বক্তব্য দেন, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও গুম হওয়া নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদী, গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি (এমপি) ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার।

সভায় বক্তারা গুমের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও কার্যকর আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


গুম রোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হতে হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

প্রস্তাবিত গুম সংক্রান্ত এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিষয়ক আইনগুলো কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

গতকাল রবিবার (১৭ মে) বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক অংশীজন সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর বক্তব্যে আইনের কার্যকারিতা নিয়ে দেশের প্রচলিত প্রবণতার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি আইনেই একটি ‘ওভাররাইডিং ক্লজ’ (অন্য আইনের ওপর প্রাধান্য পাওয়ার বিধান) যুক্ত করার প্রবণতা দেখা যায়। আমরা এমন কিছু লিখতে চাই, যা বাস্তবে প্রকৃতভাবে কার্যকর হবে। এটি কেবল লেখার জন্যই লেখা হওয়া উচিত নয়।"

তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে গুম থেকে সব ব্যক্তিকে সুরক্ষার আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে, যা প্রস্তাবিত এই আইনের শুরুতেই প্রতিফলিত হয়েছে।

আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ক্ষমতার সুষম বণ্টনের তাগিদ দিয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, "আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষকে কেবল নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেওয়ার চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় আরও বক্তব্য দেন, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও গুম হওয়া নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদী, গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি (এমপি) ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার।

সভায় বক্তারা গুমের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও কার্যকর আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত