সুনামগঞ্জের যাদুকাটা-১ ও ২ বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার ভেতরে ড্রেজার ও স্যান্ড মেশিন পরিচালনার জন্য উচ্চ আদালতের অনুমতি পেয়েছেন ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও নাসির মিয়া। বুধবার জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া এক আবেদনে তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের আলোকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
আবেদন সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত যাদুকাটা-২ বালুমহালে ড্রেজার ও সেভ মেশিন পরিচালনার অনুমতি ছিল। সেই অনুমতির মেয়াদ বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্ট আদেশের ধারাবাহিকতায় পুনরায় ড্রেজার পরিচালনার অনুমতি পেয়েছেন ২ ইজারাদার। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ডের সনদ ও আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের আদেশের অনুলিপি জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও নাসির মিয়া বলেন, পাহাড়ি ঢল ও নদীতে অতিরিক্ত পানি বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে তীব্র স্রোতের কারণে শ্রমিকদের মাধ্যমে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে বালু সরবরাহ কমে যাওয়ায় সরকারি উন্নয়নমূলক কাজেও সংকট দেখা দিয়েছে। তারা আরও জানান, বিআইডব্লিউটিএ’র হাইড্রোগ্রাফিক প্রতিবেদন ও আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিবেশের ক্ষতি না করেই যন্ত্রের সাহায্যে বালু উত্তোলন করা হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক বলেন, ‘আদেশের একটি অনুলিপি পেয়েছি। বালু ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল জানান, আদালতের রায়ের কপি ও চিঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসেছে। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের যাদুকাটা-১ ও ২ বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার ভেতরে ড্রেজার ও স্যান্ড মেশিন পরিচালনার জন্য উচ্চ আদালতের অনুমতি পেয়েছেন ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও নাসির মিয়া। বুধবার জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া এক আবেদনে তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের আলোকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
আবেদন সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত যাদুকাটা-২ বালুমহালে ড্রেজার ও সেভ মেশিন পরিচালনার অনুমতি ছিল। সেই অনুমতির মেয়াদ বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্ট আদেশের ধারাবাহিকতায় পুনরায় ড্রেজার পরিচালনার অনুমতি পেয়েছেন ২ ইজারাদার। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ডের সনদ ও আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের আদেশের অনুলিপি জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও নাসির মিয়া বলেন, পাহাড়ি ঢল ও নদীতে অতিরিক্ত পানি বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে তীব্র স্রোতের কারণে শ্রমিকদের মাধ্যমে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে বালু সরবরাহ কমে যাওয়ায় সরকারি উন্নয়নমূলক কাজেও সংকট দেখা দিয়েছে। তারা আরও জানান, বিআইডব্লিউটিএ’র হাইড্রোগ্রাফিক প্রতিবেদন ও আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিবেশের ক্ষতি না করেই যন্ত্রের সাহায্যে বালু উত্তোলন করা হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক বলেন, ‘আদেশের একটি অনুলিপি পেয়েছি। বালু ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল জানান, আদালতের রায়ের কপি ও চিঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসেছে। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন