সরকারি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘ এক
দশক পর নতুন বেতন
কাঠামো বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১ জুলাই থেকে
এই নতুন বেতন স্কেল
কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত
দিয়েছেন।
ফলে
২০১৫ সালের পর অর্থাৎ দীর্ঘ
১১ বছর পর সরকারি
চাকরিজীবীদের জন্য আর একটি
নতুন বেতন কাঠামো আসছে।
নতুন এই কাঠামোটি মোট
তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা
হবে বলে অর্থ বিভাগ
ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র
মতে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের
বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো
বাস্তবায়নে ৩৭ হাজার কোটি
টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম
ধাপে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি, বিচার
বিভাগ এবং বিভিন্ন বাহিনীর
কর্মীরা নতুন বেসিক বা
মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন।
এরপরের দুই অর্থবছরে বাকি
অংশ এবং বিভিন্ন ভাতা
ধাপে ধাপে কার্যকর করা
হবে।
সরকারি
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে
নতুন বেসিকের ৫০ শতাংশ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি
৫০ শতাংশ এবং সর্বশেষ ২০২৮-২৯ অর্থবছরে সব
ধরনের ভাতা ও সুবিধা
সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে।
বর্তমানে
কার্যকর থাকা বেতন কাঠামোয়
সরকারি চাকরিজীবীদের ২০টি গ্রেড রয়েছে।
যেখানে প্রথম গ্রেডে ৭৮ হাজার টাকা
এবং ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন
৮ হাজার ২৫০ টাকা বেতন
স্কেল নির্ধারিত আছে। নতুন বেতন
কাঠামো নির্ধারণের জন্য গঠিত বেতন
কমিশন এই ২০টি গ্রেড
অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করেছে। তবে বিভিন্ন স্তরে
বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব
করা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ ১৪৭
শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
বর্তমানে
প্রচলিত কাঠামো অনুযায়ী, মূল বেতনের পাশাপাশি
সরকারি কর্মচারীরা বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা,
যাতায়াত, শিক্ষা সহায়ক, উৎসব, শ্রান্তি ও বিনোদন এবং
পাহাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতা পেয়ে থাকেন।
নতুন কাঠামোতে এসব ভাতার পাশাপাশি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিমা স্কিম
চালুসহ আবাসন ও গৃহনির্মাণ ঋণের
সুবিধাও বহাল থাকছে।
তবে
প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ক্যাডার ও নন-ক্যাডার
কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা ও পদোন্নতির বিদ্যমান
নিয়মগুলো আগের মতোই কার্যকর
থাকবে। আগামী ১ জুলাই থেকে
এই নতুন প্রক্রিয়ার আংশিক
বাস্তবায়ন শুরু হলে সারা
দেশের লাখ লাখ সরকারি
চাকরিজীবী বড় ধরনের আর্থিক
সুবিধা পাবেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
সরকারি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘ এক
দশক পর নতুন বেতন
কাঠামো বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১ জুলাই থেকে
এই নতুন বেতন স্কেল
কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত
দিয়েছেন।
ফলে
২০১৫ সালের পর অর্থাৎ দীর্ঘ
১১ বছর পর সরকারি
চাকরিজীবীদের জন্য আর একটি
নতুন বেতন কাঠামো আসছে।
নতুন এই কাঠামোটি মোট
তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা
হবে বলে অর্থ বিভাগ
ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র
মতে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের
বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো
বাস্তবায়নে ৩৭ হাজার কোটি
টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম
ধাপে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি, বিচার
বিভাগ এবং বিভিন্ন বাহিনীর
কর্মীরা নতুন বেসিক বা
মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন।
এরপরের দুই অর্থবছরে বাকি
অংশ এবং বিভিন্ন ভাতা
ধাপে ধাপে কার্যকর করা
হবে।
সরকারি
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে
নতুন বেসিকের ৫০ শতাংশ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি
৫০ শতাংশ এবং সর্বশেষ ২০২৮-২৯ অর্থবছরে সব
ধরনের ভাতা ও সুবিধা
সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে।
বর্তমানে
কার্যকর থাকা বেতন কাঠামোয়
সরকারি চাকরিজীবীদের ২০টি গ্রেড রয়েছে।
যেখানে প্রথম গ্রেডে ৭৮ হাজার টাকা
এবং ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন
৮ হাজার ২৫০ টাকা বেতন
স্কেল নির্ধারিত আছে। নতুন বেতন
কাঠামো নির্ধারণের জন্য গঠিত বেতন
কমিশন এই ২০টি গ্রেড
অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করেছে। তবে বিভিন্ন স্তরে
বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব
করা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ ১৪৭
শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
বর্তমানে
প্রচলিত কাঠামো অনুযায়ী, মূল বেতনের পাশাপাশি
সরকারি কর্মচারীরা বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা,
যাতায়াত, শিক্ষা সহায়ক, উৎসব, শ্রান্তি ও বিনোদন এবং
পাহাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতা পেয়ে থাকেন।
নতুন কাঠামোতে এসব ভাতার পাশাপাশি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিমা স্কিম
চালুসহ আবাসন ও গৃহনির্মাণ ঋণের
সুবিধাও বহাল থাকছে।
তবে
প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ক্যাডার ও নন-ক্যাডার
কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা ও পদোন্নতির বিদ্যমান
নিয়মগুলো আগের মতোই কার্যকর
থাকবে। আগামী ১ জুলাই থেকে
এই নতুন প্রক্রিয়ার আংশিক
বাস্তবায়ন শুরু হলে সারা
দেশের লাখ লাখ সরকারি
চাকরিজীবী বড় ধরনের আর্থিক
সুবিধা পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন