ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় রাজনৈতিক মোড়। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান মঙ্গলবার (১৯ মে) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি এই নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি ফলতার ভূমিপুত্র। এই মাটির মানুষের পাশে সবসময় থেকেছি, আগামীতেও থাকব। কিন্তু রাজনৈতিক সংঘাত নয়, উন্নয়নই আমার প্রধান লক্ষ্য। তাই সাধারণ মানুষের শান্তির কথা ভেবে আমি এই উপনির্বাচনে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
জাহাঙ্গীর খান আরও দাবি করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফলতার উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং সেই উন্নয়নমূলক কাজ সফলভাবে বাস্তবায়ন করাই এখন তার অগ্রাধিকার। তার কথায়, “আমি চাই না রাজনৈতিক লড়াইয়ের কারণে উন্নয়ন ব্যাহত হোক। এলাকার স্বার্থই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
তবে নির্বাচনের ঠিক আগে এমন সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। এটি কি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ- তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “জাহাঙ্গীর খানের সরে দাঁড়ানো কি স্বেচ্ছায়, নাকি কোনও রাজনৈতিক বার্তা বা অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়ার ফল?”
যদিও এই বিতর্কে সরাসরি কিছু বলতে চাননি জাহাঙ্গীর খান। তার সংক্ষিপ্ত জবাব- এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় রাজনৈতিক মোড়। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান মঙ্গলবার (১৯ মে) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি এই নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি ফলতার ভূমিপুত্র। এই মাটির মানুষের পাশে সবসময় থেকেছি, আগামীতেও থাকব। কিন্তু রাজনৈতিক সংঘাত নয়, উন্নয়নই আমার প্রধান লক্ষ্য। তাই সাধারণ মানুষের শান্তির কথা ভেবে আমি এই উপনির্বাচনে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
জাহাঙ্গীর খান আরও দাবি করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফলতার উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং সেই উন্নয়নমূলক কাজ সফলভাবে বাস্তবায়ন করাই এখন তার অগ্রাধিকার। তার কথায়, “আমি চাই না রাজনৈতিক লড়াইয়ের কারণে উন্নয়ন ব্যাহত হোক। এলাকার স্বার্থই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
তবে নির্বাচনের ঠিক আগে এমন সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। এটি কি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ- তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “জাহাঙ্গীর খানের সরে দাঁড়ানো কি স্বেচ্ছায়, নাকি কোনও রাজনৈতিক বার্তা বা অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়ার ফল?”
যদিও এই বিতর্কে সরাসরি কিছু বলতে চাননি জাহাঙ্গীর খান। তার সংক্ষিপ্ত জবাব- এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন