প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন জেলার সাধারণ মানুষকে ভুয়া আইনি নোটিশ দিয়ে প্রতারণা করছে একটি চক্র। তারা মানুষকে অপরাধমূলক কার্যকলাপে অভিযুক্ত করে জেল-জরিমানা ও শাস্তির ভয় দেখিয়ে হয়রানি ও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ধরণের প্রতারণা থেকে সাবধান থাকতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতারক চক্রটি ‘আইন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ ও ‘ক্রাইম ইউনিট সেল’ নামে যে বিভাগ বা শাখার উল্লেখ করছে- মন্ত্রণালয়ে এসবের অস্তিত্বই নেই। মন্ত্রণালয় এ ধরণের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও ক্রাইম ইউনিট সেল নামে কোন বিভাগ/শাখা/সেল নেই এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় না।’
এ ধরণের প্রতারণার ঘটনা ইতিমধ্যে নজরে আসায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। তবে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রতারক চক্রটি প্রথমে সাধারণ মানুষকে ফোন করে অথবা সরাসরি ভুয়া নোটিশ পৌঁছে দেয়। নোটিশে অজানা অপরাধের অভিযোগ এনে জরিমানা অথবা কারাদণ্ডের হুমকি দেওয়া হয়। পরে ‘মীমাংসা’ করতে টাকা দাবি করে চক্রটি।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ধরণের ভুয়া নোটিশে বিভ্রান্ত না হয়ে কেউ যেন কোনো আর্থিক লেনদেন না করেন। প্রতারকদের ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেউ যদি সন্দেহজনক কোনো নোটিশ পান- তবে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় অথবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হটলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কাউকে কোনো টাকা পাঠানোর আগে নোটিশটির সত্যতা যাচাই করাও জরুরি।
সম্প্রতি নামীদামি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে এ ধরণের প্রতারণার ঘটনা বাড়ছে। এর আগে পুলিশসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া নোটিশ দেওয়ার ঘটনা উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন জেলার সাধারণ মানুষকে ভুয়া আইনি নোটিশ দিয়ে প্রতারণা করছে একটি চক্র। তারা মানুষকে অপরাধমূলক কার্যকলাপে অভিযুক্ত করে জেল-জরিমানা ও শাস্তির ভয় দেখিয়ে হয়রানি ও টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ধরণের প্রতারণা থেকে সাবধান থাকতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতারক চক্রটি ‘আইন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ ও ‘ক্রাইম ইউনিট সেল’ নামে যে বিভাগ বা শাখার উল্লেখ করছে- মন্ত্রণালয়ে এসবের অস্তিত্বই নেই। মন্ত্রণালয় এ ধরণের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও ক্রাইম ইউনিট সেল নামে কোন বিভাগ/শাখা/সেল নেই এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় না।’
এ ধরণের প্রতারণার ঘটনা ইতিমধ্যে নজরে আসায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। তবে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রতারক চক্রটি প্রথমে সাধারণ মানুষকে ফোন করে অথবা সরাসরি ভুয়া নোটিশ পৌঁছে দেয়। নোটিশে অজানা অপরাধের অভিযোগ এনে জরিমানা অথবা কারাদণ্ডের হুমকি দেওয়া হয়। পরে ‘মীমাংসা’ করতে টাকা দাবি করে চক্রটি।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ধরণের ভুয়া নোটিশে বিভ্রান্ত না হয়ে কেউ যেন কোনো আর্থিক লেনদেন না করেন। প্রতারকদের ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেউ যদি সন্দেহজনক কোনো নোটিশ পান- তবে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় অথবা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হটলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কাউকে কোনো টাকা পাঠানোর আগে নোটিশটির সত্যতা যাচাই করাও জরুরি।
সম্প্রতি নামীদামি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে এ ধরণের প্রতারণার ঘটনা বাড়ছে। এর আগে পুলিশসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া নোটিশ দেওয়ার ঘটনা উঠে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন