রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার সোহেল রানাকে (৩৪) আদালতে তোলা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
বুধবার (২০ মে) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে সোহেল রানাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। এ সময় অনেকে উচ্চস্বরে স্লোগান দিয়ে তার ফাঁসির দাবি জানান।
সোহেল রানাকে আদালতে আনার পর বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য পাঠানো হয়।
একই ঘটনায় গ্রেপ্তার তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) মিরপুর-১১ এলাকার বি ব্লকের একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, শিশুটি হত্যার পর মরদেহ গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ফ্ল্যাটের ভেতর থেকেই দেহের উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে সিআইডিতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপরাধ। হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছে।
ঘটনার দিন রামিসার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে গিয়ে মেয়েকে না পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে পাশের ফ্ল্যাটে খোঁজ নিতে গিয়ে পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা- ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে রামিসাকে। মরদেহ লুকানোর উদ্দেশ্যে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সোহেল রানার বিরুদ্ধে আগে একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এই ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।
গ্রেপ্তার স্বপ্না আক্তার দাবি করেন, তিনি ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন এবং কিছুই জানেন না। তবে পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ তার বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন। শিশু রামিসার প্রতি নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার সোহেল রানাকে (৩৪) আদালতে তোলা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
বুধবার (২০ মে) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে সোহেল রানাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। এ সময় অনেকে উচ্চস্বরে স্লোগান দিয়ে তার ফাঁসির দাবি জানান।
সোহেল রানাকে আদালতে আনার পর বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য পাঠানো হয়।
একই ঘটনায় গ্রেপ্তার তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) মিরপুর-১১ এলাকার বি ব্লকের একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, শিশুটি হত্যার পর মরদেহ গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ফ্ল্যাটের ভেতর থেকেই দেহের উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে সিআইডিতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপরাধ। হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছে।
ঘটনার দিন রামিসার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে গিয়ে মেয়েকে না পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে পাশের ফ্ল্যাটে খোঁজ নিতে গিয়ে পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা- ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে রামিসাকে। মরদেহ লুকানোর উদ্দেশ্যে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সোহেল রানার বিরুদ্ধে আগে একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এই ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।
গ্রেপ্তার স্বপ্না আক্তার দাবি করেন, তিনি ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন এবং কিছুই জানেন না। তবে পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ তার বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন। শিশু রামিসার প্রতি নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন