মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা সেতুর নিচে আন্ডারপাস না থাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উল্টোপথে যানবাহন চলাচল বেড়েছে। চট্টগ্রাম থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক ও লরিগুলো গজারিয়ায় মালামাল খালাসের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরতে উল্টো লেন দিয়ে চলাচল করছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ হয়ে ঘুরে আসতে হলে অতিরিক্ত দূরত্ব পাড়ি দিতে হয়। টোলও দিতে হয়। তাই চালকরা উল্টোপথে যাওয়াকেই সুবিধাজনক মনে করেন। শুধু ট্রাক-লরি নয়, স্থানীয় অটোরিকশা, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহনও একই পথে চলছে।
এতে মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। বিকল্প গ্রামীণ সড়ক সরু হওয়ায় ভারী যান চলাচলের উপযোগী নয়। উল্টোপথে যান চলাচল যে কোনো মহাসড়কের জন্য বড় ঝুঁকি। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে, যানজট সৃষ্টি হয় এবং স্বাভাবিক ট্রাফিক ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়।
মেঘনা সেতুর সোনারগাঁ অংশে আন্ডারপাস রয়েছে। গজারিয়া অংশে একই সুবিধা না থাকায় সমস্যাটি প্রকট হয়েছে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সমাধান মিলছে না।
স্থানীয়দের আশা, আন্ডারপাস নির্মাণ হলে মহাসড়কে উল্টোপথে পরিবহন চলাচল কমবে। যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে। জনসাধারণের চলাচল সহজ ও নিরাপদ হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই দাবি সক্রিয়ভাবে বিবচেনা করবে সেটা আমাদের আশা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ। এই মহাসড়কে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল যান চলাচল নিশ্চিত করা শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য নয়, জননিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা সেতুর নিচে আন্ডারপাস না থাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উল্টোপথে যানবাহন চলাচল বেড়েছে। চট্টগ্রাম থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক ও লরিগুলো গজারিয়ায় মালামাল খালাসের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরতে উল্টো লেন দিয়ে চলাচল করছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ হয়ে ঘুরে আসতে হলে অতিরিক্ত দূরত্ব পাড়ি দিতে হয়। টোলও দিতে হয়। তাই চালকরা উল্টোপথে যাওয়াকেই সুবিধাজনক মনে করেন। শুধু ট্রাক-লরি নয়, স্থানীয় অটোরিকশা, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহনও একই পথে চলছে।
এতে মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। বিকল্প গ্রামীণ সড়ক সরু হওয়ায় ভারী যান চলাচলের উপযোগী নয়। উল্টোপথে যান চলাচল যে কোনো মহাসড়কের জন্য বড় ঝুঁকি। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে, যানজট সৃষ্টি হয় এবং স্বাভাবিক ট্রাফিক ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়।
মেঘনা সেতুর সোনারগাঁ অংশে আন্ডারপাস রয়েছে। গজারিয়া অংশে একই সুবিধা না থাকায় সমস্যাটি প্রকট হয়েছে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সমাধান মিলছে না।
স্থানীয়দের আশা, আন্ডারপাস নির্মাণ হলে মহাসড়কে উল্টোপথে পরিবহন চলাচল কমবে। যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে। জনসাধারণের চলাচল সহজ ও নিরাপদ হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই দাবি সক্রিয়ভাবে বিবচেনা করবে সেটা আমাদের আশা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ। এই মহাসড়কে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল যান চলাচল নিশ্চিত করা শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য নয়, জননিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন