বেতন বাড়ানো ও সুরক্ষা আইনসহ ৬ দফা দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। সোমবার (৮ জুন) কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে হাসপাতালের চিকিৎসাব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ, চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা।
আজ দুপুর ১টার দিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি হাসপাতালের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মিরাজ ঘোষণা দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।
সরেজমিনে হাসপাতালের সার্জারি, মেডিসিন ও গাইনি ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনুপস্থিতিতে ওয়ার্ডগুলো প্রায় চিকিৎসকশূন্য। নার্স ও আয়ারাই রোগীদের ভরসা। নারী মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আসমা বেগম বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ডাক্তার আসেনি। কালকের পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে বসে আছি, কাকে দেখাব বুঝতে পারছি না।’ কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে আসা খোদেজা বেগম ও গাইনি ওয়ার্ডে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হওয়া মনোয়ারা সুলতানাও একই অভিযোগ করেন। তারা জানান, ব্যথায় কষ্ট পেলেও দেখার মতো কোনো চিকিৎসক নেই।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘটের কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা আবাসিক চিকিৎসকসহ অন্যদের দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।’

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
বেতন বাড়ানো ও সুরক্ষা আইনসহ ৬ দফা দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। সোমবার (৮ জুন) কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে হাসপাতালের চিকিৎসাব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ, চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা।
আজ দুপুর ১টার দিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি হাসপাতালের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মিরাজ ঘোষণা দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।
সরেজমিনে হাসপাতালের সার্জারি, মেডিসিন ও গাইনি ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনুপস্থিতিতে ওয়ার্ডগুলো প্রায় চিকিৎসকশূন্য। নার্স ও আয়ারাই রোগীদের ভরসা। নারী মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আসমা বেগম বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ডাক্তার আসেনি। কালকের পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে বসে আছি, কাকে দেখাব বুঝতে পারছি না।’ কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে আসা খোদেজা বেগম ও গাইনি ওয়ার্ডে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হওয়া মনোয়ারা সুলতানাও একই অভিযোগ করেন। তারা জানান, ব্যথায় কষ্ট পেলেও দেখার মতো কোনো চিকিৎসক নেই।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘটের কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা আবাসিক চিকিৎসকসহ অন্যদের দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।’

আপনার মতামত লিখুন