গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সাক্ষীর পরিচয় প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন।
আজ রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা
মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন
ধার্য রয়েছে।
প্রসিকিউশন
সূত্রে জানা গেছে, আজ
ট্রাইব্যুনালে একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর
জবানবন্দি নেওয়া হবে। এর আগে
গত ৩ জুন এই
সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও, প্রসিকিউশনের
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১
জানুয়ারি এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ
পর্ব শুরু হয় এবং
এ পর্যন্ত ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন
কাসেম আরমানসহ চারজন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন—র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার
লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল
মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.
সারওয়ার বিন কাশেম।
পলাতকরা
হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার
প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.)
তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক
আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ
হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও
র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল
ইসলাম।
বর্তমানে
এই মামলার মোট ১৭ জন
আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার
হয়ে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন এবং
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাকি
৭ জন পলাতক রয়েছেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সাক্ষীর পরিচয় প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন।
আজ রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা
মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন
ধার্য রয়েছে।
প্রসিকিউশন
সূত্রে জানা গেছে, আজ
ট্রাইব্যুনালে একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর
জবানবন্দি নেওয়া হবে। এর আগে
গত ৩ জুন এই
সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও, প্রসিকিউশনের
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২১
জানুয়ারি এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ
পর্ব শুরু হয় এবং
এ পর্যন্ত ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন
কাসেম আরমানসহ চারজন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন—র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার
লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল
মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.
সারওয়ার বিন কাশেম।
পলাতকরা
হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার
প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.)
তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক
আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ
হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও
র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল
ইসলাম।
বর্তমানে
এই মামলার মোট ১৭ জন
আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার
হয়ে ঢাকা সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন এবং
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাকি
৭ জন পলাতক রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন