ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সেবা কার্যক্রমে অভূতপূর্ব গতিশীলতা ও আমূল পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ লাইন, ফাইল আটকে থাকা আর দালাল চক্রের হয়রানির চিরচেনা চিত্র বদলে এখন সেখানে তৈরি হয়েছে গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ। কোনো প্রকার অনিয়ম ছাড়াই সুশৃঙ্খল ও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে ই-পাসপোর্ট প্রাপ্তির যাবতীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া।
সরেজমিনে পাসপোর্ট অফিস ঘুরে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতাদের আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। কাউন্টারগুলোতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা সচল থাকায় অত্যন্ত কম সময়ে আবেদনপত্র জমা এবং ছবি ও আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) প্রদানের কাজ শেষ হচ্ছে। এ ছাড়া নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য আলাদা অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবার পাশাপাশি শিশুদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ ‘বেবি কর্নার’।
পাসপোর্ট করতে আসা ফুলগাজী উপজেলার হীরা বালা দেবী বলেন, ‘আগে পাসপোর্ট অফিসে আসা মানেই ছিল বড় ঝক্কি। কিন্তু আজ কোনো দালালের সহযোগিতা ছাড়াই মাত্র ২০ মিনিটে আঙুলের ছাপ ও ছবি তোলার কাজ শেষ হয়েছে। কর্মকর্তাদের ব্যবহারও ছিল সহযোগিতামূলক।’ সোনাগাজী থেকে আসা আব্দুল কাইয়ুমও দ্রুততম সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ফেনী একটি প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা হওয়ায় এখানে প্রতি মাসে গড়ে ৪ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা ফেনী পাসপোর্ট অফিসকে শতভাগ দালালমুক্ত ও গ্রাহকবান্ধব করতে নিরলস কাজ করছি। ডিজিটাল বুথ ও কাউন্টারের সংখ্যা বাড়ানোয় কাজ এখন অনেক দ্রুত হচ্ছে। যান্ত্রিক বা সার্ভার ত্রুটি না থাকলে নির্দিষ্ট তারিখের আগেই অনেক সময় পাসপোর্ট সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।’
অফিসের হিসাবরক্ষক সাইফুল মো. আরিফ জানান, শুধু আবেদন জমা নয়, পাসপোর্ট বিতরণের প্রক্রিয়াকেও সর্বোচ্চ গতিশীল করা হয়েছে। সঠিক সময়ে পাসপোর্ট হাতে পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন প্রবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
/

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সেবা কার্যক্রমে অভূতপূর্ব গতিশীলতা ও আমূল পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ লাইন, ফাইল আটকে থাকা আর দালাল চক্রের হয়রানির চিরচেনা চিত্র বদলে এখন সেখানে তৈরি হয়েছে গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ। কোনো প্রকার অনিয়ম ছাড়াই সুশৃঙ্খল ও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে ই-পাসপোর্ট প্রাপ্তির যাবতীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া।
সরেজমিনে পাসপোর্ট অফিস ঘুরে দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতাদের আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। কাউন্টারগুলোতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা সচল থাকায় অত্যন্ত কম সময়ে আবেদনপত্র জমা এবং ছবি ও আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) প্রদানের কাজ শেষ হচ্ছে। এ ছাড়া নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য আলাদা অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবার পাশাপাশি শিশুদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ ‘বেবি কর্নার’।
পাসপোর্ট করতে আসা ফুলগাজী উপজেলার হীরা বালা দেবী বলেন, ‘আগে পাসপোর্ট অফিসে আসা মানেই ছিল বড় ঝক্কি। কিন্তু আজ কোনো দালালের সহযোগিতা ছাড়াই মাত্র ২০ মিনিটে আঙুলের ছাপ ও ছবি তোলার কাজ শেষ হয়েছে। কর্মকর্তাদের ব্যবহারও ছিল সহযোগিতামূলক।’ সোনাগাজী থেকে আসা আব্দুল কাইয়ুমও দ্রুততম সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ফেনী একটি প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা হওয়ায় এখানে প্রতি মাসে গড়ে ৪ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা ফেনী পাসপোর্ট অফিসকে শতভাগ দালালমুক্ত ও গ্রাহকবান্ধব করতে নিরলস কাজ করছি। ডিজিটাল বুথ ও কাউন্টারের সংখ্যা বাড়ানোয় কাজ এখন অনেক দ্রুত হচ্ছে। যান্ত্রিক বা সার্ভার ত্রুটি না থাকলে নির্দিষ্ট তারিখের আগেই অনেক সময় পাসপোর্ট সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।’
অফিসের হিসাবরক্ষক সাইফুল মো. আরিফ জানান, শুধু আবেদন জমা নয়, পাসপোর্ট বিতরণের প্রক্রিয়াকেও সর্বোচ্চ গতিশীল করা হয়েছে। সঠিক সময়ে পাসপোর্ট হাতে পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন প্রবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
/

আপনার মতামত লিখুন