চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় মাহমুদুর রহমান (৩৪) নামে এক সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে জীবননগর পৌর এলাকার আঁশতলাপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মাহমুদুর রহমান জীবননগর উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা (সহকারী প্রোগ্রামার) এবং মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকীপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে দাম্পত্য কলহের জেরে মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে তার স্ত্রী নাসরিন আক্তারের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। পরে মাহমুদুর রহমান নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সহকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে মাহমুদুর রহমানের বিরোধ চলছিল। মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাহিন মোল্লা ও আইসিটি টেকনিশিয়ান জাহিদ হাসান দাবি করেন, মাহমুদুর রহমান তার স্ত্রীর কারণে মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। এসব বিষয় নিয়ে কয়েকবার থানায় সালিস-মীমাংসাও হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী বা তার পরিবারের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।
/

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় মাহমুদুর রহমান (৩৪) নামে এক সরকারি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে জীবননগর পৌর এলাকার আঁশতলাপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মাহমুদুর রহমান জীবননগর উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা (সহকারী প্রোগ্রামার) এবং মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকীপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে দাম্পত্য কলহের জেরে মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে তার স্ত্রী নাসরিন আক্তারের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। পরে মাহমুদুর রহমান নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সহকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে মাহমুদুর রহমানের বিরোধ চলছিল। মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাহিন মোল্লা ও আইসিটি টেকনিশিয়ান জাহিদ হাসান দাবি করেন, মাহমুদুর রহমান তার স্ত্রীর কারণে মানসিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। এসব বিষয় নিয়ে কয়েকবার থানায় সালিস-মীমাংসাও হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী বা তার পরিবারের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।
/

আপনার মতামত লিখুন