সংবাদ

উপকূলের মানুষের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও জলবায়ু অর্থায়ন স্থানীয়করণের দাবি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১১:০৬ পিএম

উপকূলের মানুষের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও জলবায়ু অর্থায়ন স্থানীয়করণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ শর্তে ঋণ, জলবায়ু অর্থায়নের স্থানীয়করণ, নারী নেতৃত্বাধীন জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে বিশেষ বিনিয়োগ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু অধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দেশের বিভিন্ন কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন (সিবিও), যুব সংগঠন ও নারী প্রতিনিধিরা।

দুই দিনব্যাপী জাতীয় কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) সামিট ২০২৬-এর সমাপনী দিনে ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে সরকারের কাছে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু ন্যায়বিচার, স্থানীয় নেতৃত্ব, নারীর ক্ষমতায়ন, যুব অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু অর্থায়নের স্থানীয়করণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামিটের আয়োজন করে অক্সফাম ইন বাংলাদেশ ও ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স। আর্থিক সহায়তা প্রদান করে অস্ট্রেলিয়ান এইড।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়, বরং সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ প্রয়োজন। তিনি বলেন, একাধিক প্রকল্পের সমন্বিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহৎ সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান সম্ভব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজন ও উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন এবং যুব সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অক্সফাম ইন বাংলাদেশের হেড অব ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস রাইটস ড. মোহাম্মদ ইমরান হাসান বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা এবং একাডেমিক জ্ঞানের সমন্বয়ের মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজনের নতুন ধারণা ও উদ্ভাবন সামনে এসেছে। তিনি ঘোষণাপত্রের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগ কামনা করেন।

ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের চেয়ারপারসন সামিয়া আফরিন জানান, দেশের ৫০টিরও বেশি সংগঠনের মতামত ও অঙ্গীকারের ভিত্তিতে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এসব সংগঠনকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠী ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, নদীভাঙন, জীবিকা সংকট ও বাস্তুচ্যুতিসহ বহুমাত্রিক জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি। তবে স্থানীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারাই টেকসই সমাধান উদ্ভাবন করে চলেছে। এ বাস্তবতায় স্থানীয় জনগণ, নারী ও যুবদের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি ও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রের প্রধান সুপারিশগুলো হলো:

কমিউনিটিভিত্তিক ও যুব সংগঠনের জন্য সহজ ও বিকেন্দ্রীভূত নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু।

জলবায়ু অর্থায়নের স্থানীয়করণ এবং স্থানীয় সংগঠন ও নারীদের সরাসরি অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি।

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা। সিবিওগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারী ও যুবদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

যুব গবেষণা ও স্থানীয় জ্ঞানকে জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা। নারী নেতৃত্বাধীন জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। সবুজ অর্থনীতিতে নারীদের জন্য বিশেষ সুযোগ ও অর্থায়ন। পরিবেশ ও জলবায়ু অধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

ভূমি, বন, জল ও উপকূলীয় সম্পদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন সব প্রকল্পে Free, Prior and Informed Consent (FPIC) নিশ্চিত করা এবং কমিউনিটির প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকার সুরক্ষা করা।

সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের ১২টি সিবিও পরিবেশবান্ধব পণ্য ও স্থানীয় উদ্যোগ নিয়ে প্রদর্শনী স্টল স্থাপন করে, যা অংশগ্রহণকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সামিট শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলা, নারী ও যুব নেতৃত্ব বিকাশ, স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগ সম্প্রসারণ, গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা, জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, স্থানীয় নেতৃত্ব, লিঙ্গসমতা, যুব অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।

এর আগে বুধবার সামিটের প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত “ক্লাইমেট লিডারশিপ, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ডায়ালগ” শীর্ষক অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সেখানে ফেমিনিস্ট ক্লাইমেট লিডারশিপ, যুব সম্পৃক্ততা এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজন কৌশল বিষয়ে তিনটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


উপকূলের মানুষের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও জলবায়ু অর্থায়ন স্থানীয়করণের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

featured Image

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ শর্তে ঋণ, জলবায়ু অর্থায়নের স্থানীয়করণ, নারী নেতৃত্বাধীন জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে বিশেষ বিনিয়োগ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু অধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দেশের বিভিন্ন কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন (সিবিও), যুব সংগঠন ও নারী প্রতিনিধিরা।

দুই দিনব্যাপী জাতীয় কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন (সিবিও) সামিট ২০২৬-এর সমাপনী দিনে ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে সরকারের কাছে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু ন্যায়বিচার, স্থানীয় নেতৃত্ব, নারীর ক্ষমতায়ন, যুব অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু অর্থায়নের স্থানীয়করণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সামিটের আয়োজন করে অক্সফাম ইন বাংলাদেশ ও ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স। আর্থিক সহায়তা প্রদান করে অস্ট্রেলিয়ান এইড।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প নয়, বরং সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ প্রয়োজন। তিনি বলেন, একাধিক প্রকল্পের সমন্বিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহৎ সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান সম্ভব।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজন ও উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন এবং যুব সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অক্সফাম ইন বাংলাদেশের হেড অব ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস রাইটস ড. মোহাম্মদ ইমরান হাসান বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা এবং একাডেমিক জ্ঞানের সমন্বয়ের মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজনের নতুন ধারণা ও উদ্ভাবন সামনে এসেছে। তিনি ঘোষণাপত্রের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগ কামনা করেন।

ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের চেয়ারপারসন সামিয়া আফরিন জানান, দেশের ৫০টিরও বেশি সংগঠনের মতামত ও অঙ্গীকারের ভিত্তিতে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এসব সংগঠনকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠী ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, নদীভাঙন, জীবিকা সংকট ও বাস্তুচ্যুতিসহ বহুমাত্রিক জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি। তবে স্থানীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারাই টেকসই সমাধান উদ্ভাবন করে চলেছে। এ বাস্তবতায় স্থানীয় জনগণ, নারী ও যুবদের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি ও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রের প্রধান সুপারিশগুলো হলো:

কমিউনিটিভিত্তিক ও যুব সংগঠনের জন্য সহজ ও বিকেন্দ্রীভূত নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু।

জলবায়ু অর্থায়নের স্থানীয়করণ এবং স্থানীয় সংগঠন ও নারীদের সরাসরি অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি।

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা। সিবিওগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারী ও যুবদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

যুব গবেষণা ও স্থানীয় জ্ঞানকে জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা। নারী নেতৃত্বাধীন জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। সবুজ অর্থনীতিতে নারীদের জন্য বিশেষ সুযোগ ও অর্থায়ন। পরিবেশ ও জলবায়ু অধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

ভূমি, বন, জল ও উপকূলীয় সম্পদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন সব প্রকল্পে Free, Prior and Informed Consent (FPIC) নিশ্চিত করা এবং কমিউনিটির প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকার সুরক্ষা করা।

সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করে। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের ১২টি সিবিও পরিবেশবান্ধব পণ্য ও স্থানীয় উদ্যোগ নিয়ে প্রদর্শনী স্টল স্থাপন করে, যা অংশগ্রহণকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সামিট শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ এলাকায় শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলা, নারী ও যুব নেতৃত্ব বিকাশ, স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগ সম্প্রসারণ, গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা, জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, স্থানীয় নেতৃত্ব, লিঙ্গসমতা, যুব অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।

এর আগে বুধবার সামিটের প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত “ক্লাইমেট লিডারশিপ, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ডায়ালগ” শীর্ষক অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সেখানে ফেমিনিস্ট ক্লাইমেট লিডারশিপ, যুব সম্পৃক্ততা এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজন কৌশল বিষয়ে তিনটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত