যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে ইকুয়েডর। ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় লাতিন আমেরিকার দলটি। এই কঠিন লড়াইয়ে জয়ের পর সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর। অন্যদিকে এই ম্যাচে হারলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই পরের পর্বে পা রাখছে জার্মানি।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল পুরোপুরি জার্মানির নিয়ন্ত্রণে। খেলার মাত্র দ্বিতীয় মিনিটেই ফ্লোরিয়ান উইর্টজের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার শটে ইকুয়েডরের জালের নিচের কোণে বল জড়িয়ে দেন লেরয় সানে। তবে এই গোলটি নিয়ে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা যায়।
লাতিন দলটির খেলোয়াড়রা রেফারির কাছে দাবি করে বলেন, "আক্রমণ শুরুর আগে জার্মানির আলেকজান্ডার পাভলোভিচ বিপজ্জনকভাবে পা তুলে আমাদের পেদ্রো ভিতেকে ফাউল করেছিলেন।"
অবশ্য খেলোয়াড়দের এই আপত্তিতে কান না দিয়ে রেফারি গোলের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন।
পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি ইকুয়েডর। ম্যাচের নবম মিনিটেই সমতায় ফেরে তারা। পেদ্রো ভিটের বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে বল ডানদিকের নিচের কোণা দিয়ে জার্মানির জালে পাঠান নিলসন অ্যাঙ্গুলো। ম্যাচের ১০ মিনিট পার হওয়ার আগেই স্কোরলাইন ১-১ হয়ে যায় এবং দুই দলের আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের মধ্য দিয়ে প্রথমার্ধের খেলা এই সমতাতেই শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত, যা পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়। একটি কর্নার কিক থেকে কেভিন রদ্রিগেজ হেডের সাহায্যে বল নামিয়ে দিলে সেখানে ছুটে যান গনসালো প্লাতা। তিনি এক দুর্দান্ত ভলিতে বল জালের ছাদে জড়িয়ে দেন। জার্মানির অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে ইকুয়েডরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন প্লাতা।
এই গোলের পর গ্যালারিতে থাকা দর্শক থেকে শুরু করে ইকুয়েডরের ডাগআউটের বদলি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ সবাই মেতে ওঠেন বাঁধভাঙা উদযাপনে। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে ইকুয়েডর।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে ইকুয়েডর। ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় লাতিন আমেরিকার দলটি। এই কঠিন লড়াইয়ে জয়ের পর সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর। অন্যদিকে এই ম্যাচে হারলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই পরের পর্বে পা রাখছে জার্মানি।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল পুরোপুরি জার্মানির নিয়ন্ত্রণে। খেলার মাত্র দ্বিতীয় মিনিটেই ফ্লোরিয়ান উইর্টজের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার শটে ইকুয়েডরের জালের নিচের কোণে বল জড়িয়ে দেন লেরয় সানে। তবে এই গোলটি নিয়ে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা যায়।
লাতিন দলটির খেলোয়াড়রা রেফারির কাছে দাবি করে বলেন, "আক্রমণ শুরুর আগে জার্মানির আলেকজান্ডার পাভলোভিচ বিপজ্জনকভাবে পা তুলে আমাদের পেদ্রো ভিতেকে ফাউল করেছিলেন।"
অবশ্য খেলোয়াড়দের এই আপত্তিতে কান না দিয়ে রেফারি গোলের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন।
পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি ইকুয়েডর। ম্যাচের নবম মিনিটেই সমতায় ফেরে তারা। পেদ্রো ভিটের বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে বল ডানদিকের নিচের কোণা দিয়ে জার্মানির জালে পাঠান নিলসন অ্যাঙ্গুলো। ম্যাচের ১০ মিনিট পার হওয়ার আগেই স্কোরলাইন ১-১ হয়ে যায় এবং দুই দলের আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের মধ্য দিয়ে প্রথমার্ধের খেলা এই সমতাতেই শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত, যা পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসিয়ে দেয়। একটি কর্নার কিক থেকে কেভিন রদ্রিগেজ হেডের সাহায্যে বল নামিয়ে দিলে সেখানে ছুটে যান গনসালো প্লাতা। তিনি এক দুর্দান্ত ভলিতে বল জালের ছাদে জড়িয়ে দেন। জার্মানির অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে পুরোপুরি বোকা বানিয়ে ইকুয়েডরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন প্লাতা।
এই গোলের পর গ্যালারিতে থাকা দর্শক থেকে শুরু করে ইকুয়েডরের ডাগআউটের বদলি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ সবাই মেতে ওঠেন বাঁধভাঙা উদযাপনে। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে ইকুয়েডর।

আপনার মতামত লিখুন