বাংলাদেশ ব্যাংকের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা রেকর্ড ৯৬ বারের মতো পেছাল। আদালত আগামী ৯ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ধার্য করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার
প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি
পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন
বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬
সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক
অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে ৮ কোটি
১০ লাখ ডলার চুরি হয়। জালিয়াতি করে স্থানান্তরিত এই বিপুল অর্থ ফিলিপিন্সে পাঠানো
হয়েছিল। তৎকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল, দেশের অভ্যন্তরেরই কোনো একটি চক্রের
সহায়তায় এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।
ঘটনার পর ওই
বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা করেন বাংলাদেশ
ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। মামলায়
সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি। পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডি-কে। তবে দফায়
দফায় সময় নিয়েও গত আট বছরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সংস্থাটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের
খোয়া যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপিন্সের স্থানীয় মুদ্রা ‘পেসো’র আকারে দেশটির তিনটি
ক্যাসিনোতে চলে যায়। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার
করে ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশকে ফেরত দিলেও বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার আর উদ্ধার করা
সম্ভব হয়নি।
রিজার্ভ চুরির
তিন বছর পর ২০১৯ সালে বাকি অর্থ উদ্ধারের আশায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট
কোর্টে ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে মামলা
করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ২০২২ সালের এপ্রিলে নিউ ইয়র্কের আদালত মামলাটি খারিজ করে
দিয়ে জানায়, এই মামলা বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ ওই আদালতের নেই। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের
পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের অন্য একটি ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে নতুন করে মামলা করা হয় বলে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা রেকর্ড ৯৬ বারের মতো পেছাল। আদালত আগামী ৯ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ধার্য করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার
(২ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার
প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি
পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন
বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬
সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক
অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে ৮ কোটি
১০ লাখ ডলার চুরি হয়। জালিয়াতি করে স্থানান্তরিত এই বিপুল অর্থ ফিলিপিন্সে পাঠানো
হয়েছিল। তৎকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল, দেশের অভ্যন্তরেরই কোনো একটি চক্রের
সহায়তায় এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।
ঘটনার পর ওই
বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা করেন বাংলাদেশ
ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। মামলায়
সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি। পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডি-কে। তবে দফায়
দফায় সময় নিয়েও গত আট বছরে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সংস্থাটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের
খোয়া যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপিন্সের স্থানীয় মুদ্রা ‘পেসো’র আকারে দেশটির তিনটি
ক্যাসিনোতে চলে যায়। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার
করে ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশকে ফেরত দিলেও বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার আর উদ্ধার করা
সম্ভব হয়নি।
রিজার্ভ চুরির
তিন বছর পর ২০১৯ সালে বাকি অর্থ উদ্ধারের আশায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট
কোর্টে ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে মামলা
করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ২০২২ সালের এপ্রিলে নিউ ইয়র্কের আদালত মামলাটি খারিজ করে
দিয়ে জানায়, এই মামলা বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ ওই আদালতের নেই। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের
পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের অন্য একটি ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে নতুন করে মামলা করা হয় বলে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন