জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী টাইফুন ‘ডলফিন’ আঘাত হানতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে কয়েক লাখ মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের আশঙ্কায় শুক্রবার বাতিল করা হয়েছে ৫০০টির বেশি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ক্যাটাগরি-১ মাত্রার এই টাইফুনটি বর্তমানে ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার বেগে ওকিউনাওয়া ও কিউশু দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। ঝোড়ো হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত।
টাইফুন সতর্কতায় কাগোশিমা ও ওকিউনাওয়া অঞ্চলের প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা তাদের নয়টি কারখানায় উৎপাদন কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, টাইফুনটি ওকিউনাওয়া অতিক্রম করার সময় এর শক্তি বজায় থাকতে পারে। এতে তীব্র ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া জলোচ্ছ্বাস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর।
ঝড়ের প্রভাব এমন এক সময়ে পড়ছে যখন দক্ষিণ জাপানের কুমামোতো অঞ্চল গত সপ্তাহের ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ওই এলাকায় এখনো প্রায় ৬ হাজার ৭০০ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন। ঝড়ের পাশাপাশি এলাকাটিতে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘হিটস্ট্রোকের’ বিষয়েও সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।
সূত্র : রয়টার্স
\

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী টাইফুন ‘ডলফিন’ আঘাত হানতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে কয়েক লাখ মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের আশঙ্কায় শুক্রবার বাতিল করা হয়েছে ৫০০টির বেশি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (জেএমএ) বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ক্যাটাগরি-১ মাত্রার এই টাইফুনটি বর্তমানে ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার বেগে ওকিউনাওয়া ও কিউশু দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। ঝোড়ো হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত।
টাইফুন সতর্কতায় কাগোশিমা ও ওকিউনাওয়া অঞ্চলের প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা তাদের নয়টি কারখানায় উৎপাদন কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, টাইফুনটি ওকিউনাওয়া অতিক্রম করার সময় এর শক্তি বজায় থাকতে পারে। এতে তীব্র ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া জলোচ্ছ্বাস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর।
ঝড়ের প্রভাব এমন এক সময়ে পড়ছে যখন দক্ষিণ জাপানের কুমামোতো অঞ্চল গত সপ্তাহের ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ওই এলাকায় এখনো প্রায় ৬ হাজার ৭০০ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন। ঝড়ের পাশাপাশি এলাকাটিতে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘হিটস্ট্রোকের’ বিষয়েও সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।
সূত্র : রয়টার্স
\

আপনার মতামত লিখুন