সংবাদ

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ, মেয়েরা এগিয়ে


প্রতিনিধি, ভোলা
প্রতিনিধি, ভোলা
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ, মেয়েরা এগিয়ে
ছবি : সংবাদ

ভোলায় এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জেলার ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ জন। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি-উভয় ক্ষেত্রেই ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৫৬ জন। জেলা জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৩৪০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ১৮৩ জন। অর্থাৎ মেধার দৌড়েও এবার ভোলার মেয়েরা শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ভোলার ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। ফল প্রকাশের পর অনেক প্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেলেও সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে কিছুটা হতাশা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমে যাওয়ায় শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, ফলাফল কেন কমল, তা গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

পাসের হার কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না থাকলেও মেয়েদের এই সাফল্যকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জেলা শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, মেয়েদের ধারাবাহিক এই অগ্রগতি মাধ্যমিক পর্যায়ে নারী শিক্ষার ইতিবাচক পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দেয়। তবে সামগ্রিক পাসের হার বাড়াতে বিদ্যালয়ভিত্তিক তদারকি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ, মেয়েরা এগিয়ে

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভোলায় এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জেলার ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ জন। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি-উভয় ক্ষেত্রেই ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৫৬ জন। জেলা জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৩৪০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ১৮৩ জন। অর্থাৎ মেধার দৌড়েও এবার ভোলার মেয়েরা শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ভোলার ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। ফল প্রকাশের পর অনেক প্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেলেও সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে কিছুটা হতাশা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমে যাওয়ায় শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, ফলাফল কেন কমল, তা গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

পাসের হার কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না থাকলেও মেয়েদের এই সাফল্যকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জেলা শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, মেয়েদের ধারাবাহিক এই অগ্রগতি মাধ্যমিক পর্যায়ে নারী শিক্ষার ইতিবাচক পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দেয়। তবে সামগ্রিক পাসের হার বাড়াতে বিদ্যালয়ভিত্তিক তদারকি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত