সংবাদ

এক ঘাটে দুই টোল, অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ


প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)
প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

এক ঘাটে দুই টোল, অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
ছবি : সংবাদ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পাঠানপাড়া-মিয়ারচর খেয়াঘাটে মালামাল পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও দুই পক্ষের টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বাদাঘাট বাজারে বণিক সমিতি, ভুক্তভোগী সাধারণ জনতা ও শ্রমিকদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত এক মাস ধরে একই ঘাটে জেলা পরিষদের নামে এক পক্ষ এবং দেবোত্তর এস্টেটের নামে অন্য পক্ষ টোল আদায় করছে। এক ঘাটে দুই পক্ষকে টাকা দিতে গিয়ে বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বারবার জানানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি করেন তারা।

বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, ‘একই ঘাটে দুই পক্ষের টাকা আদায়ের নিয়ম কোথাও নেই। অবিলম্বে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। আজ সমাধান না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।’

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ মাওলানা মোখলেসুর রহমান, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জুবায়ের আহমদ ও শ্রমিক নেতা রহম আলী প্রমুখ।

কর্মসূচি শেষে ব্যবসায়ীরা মিয়ারচর খেয়াঘাটে গিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তারা মিয়ার মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক সমাধান হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষ সরাসরি টাকা তুলবে না। টোল আদায়ের দায়িত্ব থাকবে তৃতীয় একটি পক্ষের কাছে। সংগৃহীত টাকা জমা রাখা হবে এবং প্রশাসন যাকে বৈধ ঘোষণা করবে, তার হাতেই পরে সেই টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এতে উভয় পক্ষ সম্মত হলে ঘাটে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


এক ঘাটে দুই টোল, অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পাঠানপাড়া-মিয়ারচর খেয়াঘাটে মালামাল পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও দুই পক্ষের টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বাদাঘাট বাজারে বণিক সমিতি, ভুক্তভোগী সাধারণ জনতা ও শ্রমিকদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত এক মাস ধরে একই ঘাটে জেলা পরিষদের নামে এক পক্ষ এবং দেবোত্তর এস্টেটের নামে অন্য পক্ষ টোল আদায় করছে। এক ঘাটে দুই পক্ষকে টাকা দিতে গিয়ে বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বারবার জানানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি করেন তারা।

বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, ‘একই ঘাটে দুই পক্ষের টাকা আদায়ের নিয়ম কোথাও নেই। অবিলম্বে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। আজ সমাধান না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।’

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ মাওলানা মোখলেসুর রহমান, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জুবায়ের আহমদ ও শ্রমিক নেতা রহম আলী প্রমুখ।

কর্মসূচি শেষে ব্যবসায়ীরা মিয়ারচর খেয়াঘাটে গিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তারা মিয়ার মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক সমাধান হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষ সরাসরি টাকা তুলবে না। টোল আদায়ের দায়িত্ব থাকবে তৃতীয় একটি পক্ষের কাছে। সংগৃহীত টাকা জমা রাখা হবে এবং প্রশাসন যাকে বৈধ ঘোষণা করবে, তার হাতেই পরে সেই টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এতে উভয় পক্ষ সম্মত হলে ঘাটে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত