মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাহাড়ি ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার জাগছড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইছবপুর-নোয়াগাঁও গ্রামের রাবার ফ্যাক্টরি সংলগ্ন ৮ নম্বর পুল এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ হাজার ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়। জব্দ করা বালু স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং বিধি অনুযায়ী তা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী ও সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী বালু উত্তোলন করে আসছে। এর আগে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ভুনবীর ও সিন্দুরখান এলাকায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এসবের প্রতিবাদে স্থানীয়রা বারবার রাস্তায় নামলেও দস্যুদের দৌরাত্ম্য কমেনি।
এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানের খবর আগেই ফাঁস হয়ে যায়। ফলে মূল হোতারা সবসময়ই থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাঝেমধ্যে শ্রমিক বা চালকেরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের অর্থ জোগানদাতারা রাজনৈতিক প্রভাবে পার পেয়ে যান। এমনকি বালু উত্তোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ উঠেছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের এই চক্রে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য প্রকাশ হলেও তার বিরুদ্ধে আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ ও জানমালের সুরক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পাহাড়ি ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার জাগছড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইছবপুর-নোয়াগাঁও গ্রামের রাবার ফ্যাক্টরি সংলগ্ন ৮ নম্বর পুল এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ হাজার ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়। জব্দ করা বালু স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং বিধি অনুযায়ী তা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী ও সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী বালু উত্তোলন করে আসছে। এর আগে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ভুনবীর ও সিন্দুরখান এলাকায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এসবের প্রতিবাদে স্থানীয়রা বারবার রাস্তায় নামলেও দস্যুদের দৌরাত্ম্য কমেনি।
এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানের খবর আগেই ফাঁস হয়ে যায়। ফলে মূল হোতারা সবসময়ই থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাঝেমধ্যে শ্রমিক বা চালকেরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের অর্থ জোগানদাতারা রাজনৈতিক প্রভাবে পার পেয়ে যান। এমনকি বালু উত্তোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ উঠেছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের এই চক্রে স্থানীয় একজন সাংবাদিকের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য প্রকাশ হলেও তার বিরুদ্ধে আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ ও জানমালের সুরক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন