দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও চিকিৎসাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির আপাহুয়াচো শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে। ভূগর্ভস্থ ৯৯ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়।
তবে পেরুর রাষ্ট্রীয় সংস্থা জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইজিপি) বলছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ এবং এর গভীরতা ছিল ১০৮ কিলোমিটার। শক্তিশালী এই কম্পনের কিছুক্ষণ পর ৪ দশমিক ২ মাত্রার একটি আফটারশক বা অনুকম্পনও অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ২২টি বাড়ি, ৬টি স্কুল এবং ১২টি চিকিৎসাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে আয়াকুচো অঞ্চলের কোরাকোরা শহরে। পাহাড়ি এই এলাকায় কম্পনের ফলে পাথর ও মাটি ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি হয়নি বলে জানিয়েছেন কোরাকোরার মেয়র ইয়োনি ওদোন।
ভূমিকম্পের তীব্রতা কুসকো ও আরেকুইপাসহ রাজধানী লিমাতেও অনুভূত হয়েছে। আতঙ্কিত বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রবণতা বেড়েছে। গত জুন মাসে ভেনেজুয়েলায় এবং গত সপ্তাহে কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
/

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও চিকিৎসাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির আপাহুয়াচো শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে। ভূগর্ভস্থ ৯৯ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়।
তবে পেরুর রাষ্ট্রীয় সংস্থা জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইজিপি) বলছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ এবং এর গভীরতা ছিল ১০৮ কিলোমিটার। শক্তিশালী এই কম্পনের কিছুক্ষণ পর ৪ দশমিক ২ মাত্রার একটি আফটারশক বা অনুকম্পনও অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ২২টি বাড়ি, ৬টি স্কুল এবং ১২টি চিকিৎসাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে আয়াকুচো অঞ্চলের কোরাকোরা শহরে। পাহাড়ি এই এলাকায় কম্পনের ফলে পাথর ও মাটি ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি হয়নি বলে জানিয়েছেন কোরাকোরার মেয়র ইয়োনি ওদোন।
ভূমিকম্পের তীব্রতা কুসকো ও আরেকুইপাসহ রাজধানী লিমাতেও অনুভূত হয়েছে। আতঙ্কিত বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রবণতা বেড়েছে। গত জুন মাসে ভেনেজুয়েলায় এবং গত সপ্তাহে কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
/

আপনার মতামত লিখুন