সংবাদ

পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো মামলার অনুমোদন দিয়েছে। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগকারীর নামে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ ও আত্মসাতের অভিযোগে পদ্মা ব্যাংক পিএলসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (সিইও) ১০ জনকে আসামি করে এ মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জাল-জালিয়াতি ও ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে অন্যের নামে ঋণ তুলে তা আত্মসাতের অনুসন্ধান শেষে কমিশন মামলার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

মামলার আসামিদের তালিকা পর্যালোচনা করে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন এমএইচ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মমিনুর রহমান, মো. অজিত উল্লাহ, পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও আব্দুল মোতালেব পাটোয়ারী, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (এসভিপি) জর্জ কর্নেলিয়াস গমেজ, সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ (অফিসার) মো. রাসেল মিয়া, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন (এভিপি) এম আতিফ খালেদ, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আমেনা বেগম, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঁইয়া, সাবেক ম্যানেজার (অপারেশন) মাহবুব আহমদ এবং সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ (অফিসার) মো. কাওছার হোসেন।

দুদকের নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগকারীর নামে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার পর তা আত্মসাতের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয় নতুন গঠিত কমিশন। এজন্য কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং ব্যাংক বিভাগের একজন পরিচালককে তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কমিশন আইন ২০০৪ এবং বিধিমালা ২০০৭-এর আলোকে নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত অনুসন্ধান শেষে কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়মিত মামলা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং শাখায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অপকর্মের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় এজাহার দায়ের করে দ্রুত নথিপত্র কমিশনে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো মামলার অনুমোদন দিয়েছে। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগকারীর নামে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ ও আত্মসাতের অভিযোগে পদ্মা ব্যাংক পিএলসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (সিইও) ১০ জনকে আসামি করে এ মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জাল-জালিয়াতি ও ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে অন্যের নামে ঋণ তুলে তা আত্মসাতের অনুসন্ধান শেষে কমিশন মামলার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

মামলার আসামিদের তালিকা পর্যালোচনা করে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন এমএইচ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. মমিনুর রহমান, মো. অজিত উল্লাহ, পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও আব্দুল মোতালেব পাটোয়ারী, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (এসভিপি) জর্জ কর্নেলিয়াস গমেজ, সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ (অফিসার) মো. রাসেল মিয়া, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন (এভিপি) এম আতিফ খালেদ, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আমেনা বেগম, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঁইয়া, সাবেক ম্যানেজার (অপারেশন) মাহবুব আহমদ এবং সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ (অফিসার) মো. কাওছার হোসেন।

দুদকের নথিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগকারীর নামে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার পর তা আত্মসাতের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয় নতুন গঠিত কমিশন। এজন্য কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং ব্যাংক বিভাগের একজন পরিচালককে তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কমিশন আইন ২০০৪ এবং বিধিমালা ২০০৭-এর আলোকে নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত অনুসন্ধান শেষে কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়মিত মামলা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং শাখায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অপকর্মের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় এজাহার দায়ের করে দ্রুত নথিপত্র কমিশনে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত