উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আটক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তার আসামি মো. পলাশ আলী। খুলনার লবণচরা থানার ঠিকরাবাদ এলাকার আলাউল কবির খাঁর ৬ জন নিকটাত্মীয়কে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান তিনি। প্রতিজনকে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ভিসাসহ অন্যান্য কাগজপত্র তৈরির অগ্রিম টাকা দাবি করেন।
আলাউল কবির খাঁ বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পলাশ আলীকে সর্বমোট ১৭ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে আসামি চাকরিপ্রার্থীদের ঢাকায় এনে মেডিকেল পরীক্ষা করালেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের মালয়েশিয়ায় পাঠাননি। তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট আসামি পলাশ আলী জানান, তিনি চাকরিপ্রার্থীদের মালয়েশিয়ায় পাঠাতে পারবেন না এবং গ্রহণকৃত টাকা ফেরত দিতে পারবেন না। এ ঘটনায় আলাউল কবির খাঁ বাদী হয়ে লবণচরা থানায় পলাশ আলীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই খুলনা জেলা। পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) মো. হাবিবুর রহমান তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালান। গত ২৮ আগস্ট রাত ১টা ৪৫ মিনিটে ময়মনসিংহ সদর থানাধীন গোলপুকুরপাড় কর অঞ্চল ভবন এলাকা থেকে পলাশ আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
আসামি পলাশ আলী বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসামি বাদীপক্ষের কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা গ্রহণ করে চাকরিপ্রার্থীদের বিদেশে না পাঠিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন।
মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আটক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তার আসামি মো. পলাশ আলী। খুলনার লবণচরা থানার ঠিকরাবাদ এলাকার আলাউল কবির খাঁর ৬ জন নিকটাত্মীয়কে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান তিনি। প্রতিজনকে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ভিসাসহ অন্যান্য কাগজপত্র তৈরির অগ্রিম টাকা দাবি করেন।
আলাউল কবির খাঁ বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পলাশ আলীকে সর্বমোট ১৭ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে আসামি চাকরিপ্রার্থীদের ঢাকায় এনে মেডিকেল পরীক্ষা করালেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের মালয়েশিয়ায় পাঠাননি। তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট আসামি পলাশ আলী জানান, তিনি চাকরিপ্রার্থীদের মালয়েশিয়ায় পাঠাতে পারবেন না এবং গ্রহণকৃত টাকা ফেরত দিতে পারবেন না। এ ঘটনায় আলাউল কবির খাঁ বাদী হয়ে লবণচরা থানায় পলাশ আলীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই খুলনা জেলা। পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) মো. হাবিবুর রহমান তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালান। গত ২৮ আগস্ট রাত ১টা ৪৫ মিনিটে ময়মনসিংহ সদর থানাধীন গোলপুকুরপাড় কর অঞ্চল ভবন এলাকা থেকে পলাশ আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
আসামি পলাশ আলী বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসামি বাদীপক্ষের কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা গ্রহণ করে চাকরিপ্রার্থীদের বিদেশে না পাঠিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন।
মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান।

আপনার মতামত লিখুন