দীর্ঘ দুই যুগের উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী শামস-উল-হুদা স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের প্রচেষ্টায় এ বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘যশোর জেলা শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি পাওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের পুরো অর্থই সরকারি অনুদান (জিওবি) হিসেবে সংস্থান করা হবে। প্রচলিত আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
যশোর ক্রীড়াঙ্গনসংশ্লিষ্টদের মতে, ২০০৫ সালের পর স্টেডিয়ামটিতে উল্লেখযোগ্য কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে তদারকির অভাবে ৬২ বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়ামটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর এক রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামের উত্তর পাশের গ্যালারি ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে নতুন বরাদ্দের আশ্বাস দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন তা আলোর মুখ দেখেনি। অবশেষে বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ পাওয়ায় যশোরের ক্রীড়ামোদী ও খেলোয়াড়দের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।
যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও জেলা ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাহতাব নাসির পলাশ বলেন, ‘ভাঙতে পারে সবাই, গড়তে পারে কজন? দীর্ঘদিনের ক্ষতি কাটিয়ে স্টেডিয়াম উন্নয়নের জন্য এই বরাদ্দ যশোরবাসীর জন্য পরম আনন্দের।’
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ আকসাদ সিদ্দিকী শৈবাল বলেন, ‘গত দুই দশক ধরে যশোরের ক্রীড়াঙ্গনে এক ধরণের স্থবিরতা চলছিল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে স্টেডিয়ামের আধুনিকায়নে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, জরাজীর্ণ স্টেডিয়ামটিকে আধুনিক ক্রীড়াবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতেই এই বরাদ্দ এনে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দীর্ঘ দুই যুগের উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী শামস-উল-হুদা স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের প্রচেষ্টায় এ বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘যশোর জেলা শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি পাওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের পুরো অর্থই সরকারি অনুদান (জিওবি) হিসেবে সংস্থান করা হবে। প্রচলিত আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
যশোর ক্রীড়াঙ্গনসংশ্লিষ্টদের মতে, ২০০৫ সালের পর স্টেডিয়ামটিতে উল্লেখযোগ্য কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে তদারকির অভাবে ৬২ বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়ামটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর এক রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামের উত্তর পাশের গ্যালারি ভেঙে ফেলা হয়। পরবর্তীতে নতুন বরাদ্দের আশ্বাস দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন তা আলোর মুখ দেখেনি। অবশেষে বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ পাওয়ায় যশোরের ক্রীড়ামোদী ও খেলোয়াড়দের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।
যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও জেলা ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাহতাব নাসির পলাশ বলেন, ‘ভাঙতে পারে সবাই, গড়তে পারে কজন? দীর্ঘদিনের ক্ষতি কাটিয়ে স্টেডিয়াম উন্নয়নের জন্য এই বরাদ্দ যশোরবাসীর জন্য পরম আনন্দের।’
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ আকসাদ সিদ্দিকী শৈবাল বলেন, ‘গত দুই দশক ধরে যশোরের ক্রীড়াঙ্গনে এক ধরণের স্থবিরতা চলছিল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে স্টেডিয়ামের আধুনিকায়নে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, জরাজীর্ণ স্টেডিয়ামটিকে আধুনিক ক্রীড়াবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতেই এই বরাদ্দ এনে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জানান।

আপনার মতামত লিখুন