মধ্য আফ্রিকান দেশ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বঞ্চলীয় শহর বুকাভুতে দুটি স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়ে এবং প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৪ জনই শিশু শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আল জাজিরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এ অগ্নিকাণ্ডের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বুকাভুর চিমপুন্ডা এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা কাছের ‘উজামা প্রাথমিক বিদ্যালয়’ ও ‘ফুরাহা মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ এবং সংলগ্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডে দুটি স্কুলের পাশাপাশি অন্তত ৩০০টি কাঠের ঘরবাড়ি পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে।
এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা জানান, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ জন ছাত্রী ও ৫ জন ছাত্র রয়েছে। এছাড়া কয়েকজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
অগ্নিসংযোগের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সবাই একযোগে ভবন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় হুড়োহুড়ি ও পদদলিত হয়ে অনেকের করুণ মৃত্যু হয়। আগুনে আহত অন্তত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ২১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এদিকে ডিআর কঙ্গোর সরকার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। দেশটির জাতীয় শিক্ষা ও নতুন নাগরিকত্ব মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর অবস্থা দ্রুত মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে যাতে পুনর্গঠন শেষে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা যায়। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।
\

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মধ্য আফ্রিকান দেশ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বঞ্চলীয় শহর বুকাভুতে দুটি স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়ে এবং প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে হুড়োহুড়িতে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৪ জনই শিশু শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আল জাজিরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এ অগ্নিকাণ্ডের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বুকাভুর চিমপুন্ডা এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা কাছের ‘উজামা প্রাথমিক বিদ্যালয়’ ও ‘ফুরাহা মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ এবং সংলগ্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডে দুটি স্কুলের পাশাপাশি অন্তত ৩০০টি কাঠের ঘরবাড়ি পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে।
এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা জানান, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ জন ছাত্রী ও ৫ জন ছাত্র রয়েছে। এছাড়া কয়েকজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
অগ্নিসংযোগের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সবাই একযোগে ভবন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় হুড়োহুড়ি ও পদদলিত হয়ে অনেকের করুণ মৃত্যু হয়। আগুনে আহত অন্তত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ২১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এদিকে ডিআর কঙ্গোর সরকার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। দেশটির জাতীয় শিক্ষা ও নতুন নাগরিকত্ব মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর অবস্থা দ্রুত মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে যাতে পুনর্গঠন শেষে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা যায়। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।
\

আপনার মতামত লিখুন