জোয়ার-ভাটার স্রোতে উপকূলের খাল-নদী পেরিয়ে প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতলসহ নানা বর্জ্য জমছে সুন্দরবনে। কটকা, কচিখালি, জামতলা ও ডিমের চরসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে এসব বর্জ্যের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। মাত্র তিন দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পাঁচটি পর্যটনকেন্দ্র থেকে ১৫ বস্তা প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের ঘটনা সমস্যাটির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে।
সুন্দরবনে প্লাস্টিক দূষণের দায় শুধু পর্যটকদের ওপর চাপালে সমস্যার মূল কারণ আড়ালে থেকে যাবে। উপকূলীয় বাজার ও বসতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দুর্বল। নদীতে নির্বিচারে প্লাস্টিক ফেলা হয়। সমুদ্রে জেলেদের বর্জ্য ফেলার প্রবণতাও আছে। জোয়ার-ভাটার স্রোতে এসব বর্জ্য শেষ পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে পৌঁছাচ্ছে। এর প্রভাবে বনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকিতে পড়ছে।
গবেষকরা সুন্দরবনের পানি, মাটি, শামুক ও মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পেয়েছেন। প্লাস্টিক দূষণের কারণে বনের জলজ প্রাণী, খাদ্যশৃঙ্খল ও পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে বর্জ্যের উৎস বন্ধ করা জরুরি।
সুন্দরবনে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে পর্যটনকেন্দ্রে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন ও বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে। জেলে নৌকা ও পর্যটনযানে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার বিষয়ে কঠোর হতে হবে। উপকূলীয় বাজার ও জনপদে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাও জরুরি। পর্যটন ব্যবসায়ীদের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদাসীন হলে চলবে না।
সুন্দরবন শুধু পর্যটনের স্থান নয়। এই বন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয়। বনে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে পর্যটক থেকে জেলে, স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ী সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জোয়ার-ভাটার স্রোতে উপকূলের খাল-নদী পেরিয়ে প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতলসহ নানা বর্জ্য জমছে সুন্দরবনে। কটকা, কচিখালি, জামতলা ও ডিমের চরসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে এসব বর্জ্যের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। মাত্র তিন দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পাঁচটি পর্যটনকেন্দ্র থেকে ১৫ বস্তা প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের ঘটনা সমস্যাটির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে।
সুন্দরবনে প্লাস্টিক দূষণের দায় শুধু পর্যটকদের ওপর চাপালে সমস্যার মূল কারণ আড়ালে থেকে যাবে। উপকূলীয় বাজার ও বসতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দুর্বল। নদীতে নির্বিচারে প্লাস্টিক ফেলা হয়। সমুদ্রে জেলেদের বর্জ্য ফেলার প্রবণতাও আছে। জোয়ার-ভাটার স্রোতে এসব বর্জ্য শেষ পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে পৌঁছাচ্ছে। এর প্রভাবে বনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ হুমকিতে পড়ছে।
গবেষকরা সুন্দরবনের পানি, মাটি, শামুক ও মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পেয়েছেন। প্লাস্টিক দূষণের কারণে বনের জলজ প্রাণী, খাদ্যশৃঙ্খল ও পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে বর্জ্যের উৎস বন্ধ করা জরুরি।
সুন্দরবনে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে পর্যটনকেন্দ্রে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন ও বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে। জেলে নৌকা ও পর্যটনযানে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার বিষয়ে কঠোর হতে হবে। উপকূলীয় বাজার ও জনপদে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাও জরুরি। পর্যটন ব্যবসায়ীদের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদাসীন হলে চলবে না।
সুন্দরবন শুধু পর্যটনের স্থান নয়। এই বন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয়। বনে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে পর্যটক থেকে জেলে, স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ী সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন