মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, চার্জার কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের গায়ে অনেক সময় ডাস্টবিনের ছবির ওপর বড় একটি ক্রস চিহ্ন দেখা যায়। চোখে পড়লেও এই প্রতীকের অর্থ জানেন না অনেকেই। এটি শুধু একটি সাধারণ সতর্কবার্তা নয়; ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।
এই প্রতীককে বলা হয় ডব্লিউইইই (WEEE) চিহ্ন। কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য নষ্ট হয়ে গেলে বা ব্যবহারের উপযোগিতা হারালে সেটি সাধারণ গৃহস্থালির আবর্জনার সঙ্গে ফেলা যাবে না-মূলত এই বার্তাই দেয় চিহ্নটি।
কেন সাধারণ ডাস্টবিনে ফেলা
যাবে
না?
ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও এর বিভিন্ন উপাদানে সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর পদার্থ থাকতে পারে। এসব উপাদান সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে মিশে মাটিতে বা পানিতে গিয়ে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব মানবস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।
এ কারণেই পুরোনো মোবাইল, ল্যাপটপ, চার্জারসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী সাধারণ ময়লার ঝুড়িতে না ফেলে নির্দিষ্ট ই-বর্জ্য সংগ্রহ বা রিসাইক্লিং কেন্দ্রে জমা দেওয়া উচিত। সেখানে বর্জ্যগুলো নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার বা নিষ্পত্তি করা সম্ভব।
কেন পণ্যে এই চিহ্ন থাকে?
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা আইন ও নীতিমালা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে বিক্রি হওয়া বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্যে এই প্রতীক ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া অনেক ইলেকট্রনিক পণ্যের গায়েও এই চিহ্ন দেখা যায়।
তাই পরবর্তীবার ফোন, ল্যাপটপ বা চার্জারের গায়ে ডাস্টবিনের ওপর ক্রস চিহ্ন দেখলে সেটিকে শুধু একটি লোগো হিসেবে না দেখে সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। পণ্যটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গেলে সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে না ফেলে সঠিক জায়গায় ই-বর্জ্য হিসেবে জমা দেওয়াই পরিবেশের জন্য নিরাপদ।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, চার্জার কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের গায়ে অনেক সময় ডাস্টবিনের ছবির ওপর বড় একটি ক্রস চিহ্ন দেখা যায়। চোখে পড়লেও এই প্রতীকের অর্থ জানেন না অনেকেই। এটি শুধু একটি সাধারণ সতর্কবার্তা নয়; ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।
এই প্রতীককে বলা হয় ডব্লিউইইই (WEEE) চিহ্ন। কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য নষ্ট হয়ে গেলে বা ব্যবহারের উপযোগিতা হারালে সেটি সাধারণ গৃহস্থালির আবর্জনার সঙ্গে ফেলা যাবে না-মূলত এই বার্তাই দেয় চিহ্নটি।
কেন সাধারণ ডাস্টবিনে ফেলা
যাবে
না?
ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও এর বিভিন্ন উপাদানে সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর পদার্থ থাকতে পারে। এসব উপাদান সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে মিশে মাটিতে বা পানিতে গিয়ে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব মানবস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।
এ কারণেই পুরোনো মোবাইল, ল্যাপটপ, চার্জারসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী সাধারণ ময়লার ঝুড়িতে না ফেলে নির্দিষ্ট ই-বর্জ্য সংগ্রহ বা রিসাইক্লিং কেন্দ্রে জমা দেওয়া উচিত। সেখানে বর্জ্যগুলো নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার বা নিষ্পত্তি করা সম্ভব।
কেন পণ্যে এই চিহ্ন থাকে?
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা আইন ও নীতিমালা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে বিক্রি হওয়া বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্যে এই প্রতীক ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া অনেক ইলেকট্রনিক পণ্যের গায়েও এই চিহ্ন দেখা যায়।
তাই পরবর্তীবার ফোন, ল্যাপটপ বা চার্জারের গায়ে ডাস্টবিনের ওপর ক্রস চিহ্ন দেখলে সেটিকে শুধু একটি লোগো হিসেবে না দেখে সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। পণ্যটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গেলে সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে না ফেলে সঠিক জায়গায় ই-বর্জ্য হিসেবে জমা দেওয়াই পরিবেশের জন্য নিরাপদ।

আপনার মতামত লিখুন