ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। গতকাল শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের কাছে পৃথক স্মারকলিপি দিয়ে এ দাবি জানায় কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিকভাবে ইসলাম, ইলম, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি জনপদ। জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে স্থানীয় ধর্মপ্রান মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবীনবরণ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর হওয়া স্বাভাবিক উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, এ ধরনের আয়োজন যেন শিক্ষার পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং স্থানীয় ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়।
স্মারকলিপিতে অতীতের বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উল্লেখ করে বলা হয়, পূর্বে জেলায় কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘিরে বিভিন্ন সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।
কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সদস্য ফুজায়েল আহমেদ খান বলেন, গত ১৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমন উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানো কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশসহ ৩০ জন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আহত হন। ওই ঘটনার মাস না যেতেই আবার কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগকে তিনি ‘কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তবে কনসার্ট আয়োজনের বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ওবায়দুল হক। তিনি বলেন, ‘কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ আমাদের কাছে কোনো দাবি জানায়নি। তারা লিখিত জানালে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এটি সরাসরি কোনো কনসার্ট নয়; নবীনবরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যৌথ আয়োজন।’
এর আগে গত ৩০ মে কওমি ভাবাপন্ন শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। গতকাল শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের কাছে পৃথক স্মারকলিপি দিয়ে এ দাবি জানায় কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিকভাবে ইসলাম, ইলম, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি জনপদ। জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে স্থানীয় ধর্মপ্রান মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবীনবরণ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর হওয়া স্বাভাবিক উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, এ ধরনের আয়োজন যেন শিক্ষার পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং স্থানীয় ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়।
স্মারকলিপিতে অতীতের বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উল্লেখ করে বলা হয়, পূর্বে জেলায় কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘিরে বিভিন্ন সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।
কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সদস্য ফুজায়েল আহমেদ খান বলেন, গত ১৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমন উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানো কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী জামিয়া দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশসহ ৩০ জন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আহত হন। ওই ঘটনার মাস না যেতেই আবার কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগকে তিনি ‘কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তবে কনসার্ট আয়োজনের বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ওবায়দুল হক। তিনি বলেন, ‘কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ আমাদের কাছে কোনো দাবি জানায়নি। তারা লিখিত জানালে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এটি সরাসরি কোনো কনসার্ট নয়; নবীনবরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যৌথ আয়োজন।’
এর আগে গত ৩০ মে কওমি ভাবাপন্ন শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন