পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এই বরখাস্ত আদেশটি রোববার সকালে বন্দরে পৌঁছায়।
জানা গেছে, গত ২ জুন কাস্টমস হাউসে ঘোষণাবহির্ভূত আমদানিকৃত পণ্য শনাক্ত হয়। অভিযোগ ওঠে, বন্দরের জিম্মায় থাকা অবস্থায় এসব পণ্য পরিবর্তন ও অবৈধ অপসারণের চেষ্টা চালানো হয়। এছাড়া ৩৭ নম্বর শেডের চাবি হস্তান্তর অনিয়ম ও ৬ জুন রাতে শেডে অনধিকার প্রবেশের ঘটনা ঘটে। একই অভিযোগে ইতিপূর্বে ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকেও বরখাস্ত করা হয়েছিল।
কাজী রতনের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়, তবে তিনি নিয়ম অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এই বরখাস্ত আদেশটি রোববার সকালে বন্দরে পৌঁছায়।
জানা গেছে, গত ২ জুন কাস্টমস হাউসে ঘোষণাবহির্ভূত আমদানিকৃত পণ্য শনাক্ত হয়। অভিযোগ ওঠে, বন্দরের জিম্মায় থাকা অবস্থায় এসব পণ্য পরিবর্তন ও অবৈধ অপসারণের চেষ্টা চালানো হয়। এছাড়া ৩৭ নম্বর শেডের চাবি হস্তান্তর অনিয়ম ও ৬ জুন রাতে শেডে অনধিকার প্রবেশের ঘটনা ঘটে। একই অভিযোগে ইতিপূর্বে ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকেও বরখাস্ত করা হয়েছিল।
কাজী রতনের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়, তবে তিনি নিয়ম অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন