সংবাদ

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, চার জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, পাবনা
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, পাবনা
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, চার জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ছবি : সংবাদ

উজানের তীব্র ঢলে পদ্মা নদীতে আশঙ্কাজনক হারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হতে শুরু করেছে রাজশাহী, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়ার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল এবং চরাঞ্চল। এতে চরম মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছেন এসব এলাকার পানিবন্দী মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার মাত্র ৪২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে রাজশাহীতে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রাজশাহীতে পদ্মার পানির বিপদসীমা ১৮.০৫ মিটার। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭.৩২ মিটার, যা গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১৭.২৯ মিটার। পাউবো কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ১০ দিন ধরে উজানের তীব্র ঢলের কারণেই প্রতি ঘণ্টায় গড়ে অন্তত ২ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পদ্মার পানি বাড়ায় রাজশাহী সীমান্তবর্তী চরখিদিরপুর, খানপুরসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বড় অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ওই সব এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি ও তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে চালু করা হয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প।

সার্বিক বিষয়ে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘পানি ক্রমাগত বাড়লেও শহর রক্ষা বাঁধ নিয়ে এ মুহূর্তে কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। তবে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি এড়াতে আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, চার জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

উজানের তীব্র ঢলে পদ্মা নদীতে আশঙ্কাজনক হারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হতে শুরু করেছে রাজশাহী, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়ার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল এবং চরাঞ্চল। এতে চরম মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছেন এসব এলাকার পানিবন্দী মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার মাত্র ৪২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে রাজশাহীতে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রাজশাহীতে পদ্মার পানির বিপদসীমা ১৮.০৫ মিটার। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭.৩২ মিটার, যা গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১৭.২৯ মিটার। পাউবো কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ১০ দিন ধরে উজানের তীব্র ঢলের কারণেই প্রতি ঘণ্টায় গড়ে অন্তত ২ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পদ্মার পানি বাড়ায় রাজশাহী সীমান্তবর্তী চরখিদিরপুর, খানপুরসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বড় অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ওই সব এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি ও তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে চালু করা হয়েছে মেডিকেল ক্যাম্প।

সার্বিক বিষয়ে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘পানি ক্রমাগত বাড়লেও শহর রক্ষা বাঁধ নিয়ে এ মুহূর্তে কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। তবে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি এড়াতে আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত