দুই মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে সড়ক অবরোধ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে আমবাগ এলাকার ‘হানিওয়েল গার্মেন্টস লিমিটেড’-এর কয়েক শ শ্রমিক কারখানার সামনের মিতালী ক্লাব-নতুনবাজার আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে এই কর্মসূচি পালন করেন। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও আন্দোলনরত শ্রমিকদের সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন না দিয়েই কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ছুটির নোটিশ ঝুলিয়ে সময়ক্ষেপণ করে আসছে। এর প্রতিবাদে বাধ্য হয়ে শ্রমিকেরা রাস্তায় নামেন। বকেয়া না পাওয়ায় ঘরভাড়া, দোকানের বাকি ও সন্তানদের স্কুলের বেতন দিতে না পেরে পরিবার নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও মালিকপক্ষ ব্যর্থ হয়ে দফায় দফায় কারখানা ছুটি ঘোষণা করে। এতে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্প পুলিশ ও জিএমপি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুই মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে সড়ক অবরোধ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে আমবাগ এলাকার ‘হানিওয়েল গার্মেন্টস লিমিটেড’-এর কয়েক শ শ্রমিক কারখানার সামনের মিতালী ক্লাব-নতুনবাজার আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে এই কর্মসূচি পালন করেন। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও আন্দোলনরত শ্রমিকদের সূত্রে জানা গেছে, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন না দিয়েই কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ছুটির নোটিশ ঝুলিয়ে সময়ক্ষেপণ করে আসছে। এর প্রতিবাদে বাধ্য হয়ে শ্রমিকেরা রাস্তায় নামেন। বকেয়া না পাওয়ায় ঘরভাড়া, দোকানের বাকি ও সন্তানদের স্কুলের বেতন দিতে না পেরে পরিবার নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও মালিকপক্ষ ব্যর্থ হয়ে দফায় দফায় কারখানা ছুটি ঘোষণা করে। এতে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্প পুলিশ ও জিএমপি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন