জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহন খাত। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ বিভাগের ছয় জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর রাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর খবর প্রকাশের পর থেকেই সারাদেশের মতো বরিশালেও যান চলাচলে স্থবিরতা দেখা দেয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দূরপাল্লার এবং অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। ফলে মহাসড়ক ছিল অনেকটাই ফাঁকা।
বরিশালের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পের মালিক ও ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লিটারপ্রতি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ায় অনেক চালক ও মালিক গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন। এখন পর্যন্ত যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে বাস মালিক সমিতি কোনো সিদ্ধান্ত না দেওয়ায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ ও নগরীর রূপাতলী বাস টার্মিনালে। সেখানে অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখতে দেখা যায়।
রূপাতলী বাস টার্মিনালে লোকাল বাসের চালক জব্বার মিয়া বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও আমরা যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নিতে পারছি না। মালিক সমিতি এখনো সরকার নির্ধারিত নতুন ভাড়ার চার্ট না দেওয়ায় আমাদের লোকসান গুনে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।’
বিষয়টি নিয়ে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সভাপতি মোশারেফ হোসেন মুঠোফোনে জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কিছুটা সমস্যা হলেও লোকাল বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাড়ার তালিকা পৌঁছাতে বিলম্ব হলেও গাড়ি চলাচল অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই নতুন ভাড়ার চার্ট পাওয়া যাবে।
ভাড়া পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে জানতে বরিশাল বিভাগীয় বিআরটিএ পরিচালক জিয়াউল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের পরিবহন খাত। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ বিভাগের ছয় জেলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর রাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর খবর প্রকাশের পর থেকেই সারাদেশের মতো বরিশালেও যান চলাচলে স্থবিরতা দেখা দেয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দূরপাল্লার এবং অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। ফলে মহাসড়ক ছিল অনেকটাই ফাঁকা।
বরিশালের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পের মালিক ও ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লিটারপ্রতি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ায় অনেক চালক ও মালিক গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন। এখন পর্যন্ত যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে বাস মালিক সমিতি কোনো সিদ্ধান্ত না দেওয়ায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ ও নগরীর রূপাতলী বাস টার্মিনালে। সেখানে অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখতে দেখা যায়।
রূপাতলী বাস টার্মিনালে লোকাল বাসের চালক জব্বার মিয়া বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও আমরা যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নিতে পারছি না। মালিক সমিতি এখনো সরকার নির্ধারিত নতুন ভাড়ার চার্ট না দেওয়ায় আমাদের লোকসান গুনে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।’
বিষয়টি নিয়ে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সভাপতি মোশারেফ হোসেন মুঠোফোনে জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কিছুটা সমস্যা হলেও লোকাল বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাড়ার তালিকা পৌঁছাতে বিলম্ব হলেও গাড়ি চলাচল অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই নতুন ভাড়ার চার্ট পাওয়া যাবে।
ভাড়া পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে জানতে বরিশাল বিভাগীয় বিআরটিএ পরিচালক জিয়াউল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন