শপথের আবেগ কাটতে না কাটতেই প্রশাসনের ময়দানে নেমে পড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১১ মে) প্রথমবারের মতো তিনি পা রাখতে চলেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্নে- যে ভবন এতদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত ছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল ও তাৎপর্য।
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম আগমনকে সামনে রেখে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার দুপুর থেকেই তৎপর হয়ে ওঠে কলকাতা ও হাওড়া সিটি পুলিশ। খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এবং হাওড়ার পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী নবান্নে পৌঁছে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন। তাদের নেতৃত্বে উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পুরো চত্বর ঘুরে দেখেন এবং কোথায় কী ধরনের নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে সেই সভাঘরে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন।
সূত্রের খবর, সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ নবান্নের সভাঘরে প্রশাসনের শীর্ষ আমলাদের নিয়ে প্রথম বৈঠক করবেন শুভেন্দু। শুধু এটুকুতেই থেমে থাকছেন না তিনি- দিনভর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। দুপুরে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক এবং বিকেলে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনের গতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিতেই এই ধারাবাহিক বৈঠক বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
উল্লেখযোগ্যভাবে, শপথ নেওয়ার পরদিনই শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং ডিজির সঙ্গে বৈঠক করে প্রশাসনিক কাজের রূপরেখা তৈরি করতে শুরু করেছেন। ধর্মতলায় অস্থায়ী কার্যালয়ে হওয়া সেই বৈঠকে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়- যা নতুন সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে, নতুন মন্ত্রিসভা নিয়েও জোর জল্পনা চলছে। ইতোমধ্যেই দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক ও ক্ষুদিরাম টুডু মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই মন্ত্রিসভার বিস্তার ঘটতে পারে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হবে।
সব মিলিয়ে, নবান্নে শুভেন্দুর প্রথম পদক্ষেপ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়- বরং এটি নতুন সরকারের প্রশাসনিক দিশা ও অগ্রাধিকারের প্রথম বড় পরীক্ষা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
শপথের আবেগ কাটতে না কাটতেই প্রশাসনের ময়দানে নেমে পড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১১ মে) প্রথমবারের মতো তিনি পা রাখতে চলেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্নে- যে ভবন এতদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত ছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল ও তাৎপর্য।
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম আগমনকে সামনে রেখে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার দুপুর থেকেই তৎপর হয়ে ওঠে কলকাতা ও হাওড়া সিটি পুলিশ। খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এবং হাওড়ার পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী নবান্নে পৌঁছে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন। তাদের নেতৃত্বে উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পুরো চত্বর ঘুরে দেখেন এবং কোথায় কী ধরনের নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে সেই সভাঘরে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন।
সূত্রের খবর, সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ নবান্নের সভাঘরে প্রশাসনের শীর্ষ আমলাদের নিয়ে প্রথম বৈঠক করবেন শুভেন্দু। শুধু এটুকুতেই থেমে থাকছেন না তিনি- দিনভর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। দুপুরে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক এবং বিকেলে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনের গতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিতেই এই ধারাবাহিক বৈঠক বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
উল্লেখযোগ্যভাবে, শপথ নেওয়ার পরদিনই শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং ডিজির সঙ্গে বৈঠক করে প্রশাসনিক কাজের রূপরেখা তৈরি করতে শুরু করেছেন। ধর্মতলায় অস্থায়ী কার্যালয়ে হওয়া সেই বৈঠকে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়- যা নতুন সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে, নতুন মন্ত্রিসভা নিয়েও জোর জল্পনা চলছে। ইতোমধ্যেই দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক ও ক্ষুদিরাম টুডু মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই মন্ত্রিসভার বিস্তার ঘটতে পারে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হবে।
সব মিলিয়ে, নবান্নে শুভেন্দুর প্রথম পদক্ষেপ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়- বরং এটি নতুন সরকারের প্রশাসনিক দিশা ও অগ্রাধিকারের প্রথম বড় পরীক্ষা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন