ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরেক দফা পিছিয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৭ জুন নতুন দিন ঠিক করেছে আদালত।
রবিবার
ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
জশিতা ইসলামের আদালতে এই মামলার অধিকতর
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন
ধার্য ছিল। তবে মামলার
তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত সময়ে
প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি।
এর প্রেক্ষিতে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই
দিন ধার্য করে। প্রসিকিউশন বিভাগের
এসআই রুকনুজ্জামান আদালতের এই আদেশের তথ্য
নিশ্চিত করেছেন।
জুলাই
অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের
কার্যক্রম নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ব্যাপকভাবে
পরিচিতি পাওয়া ওসমান হাদি ত্রয়োদশ সংসদ
নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন
থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
গত ২০২৫ সালের ১২
ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায়
গিয়ে তিনি আততায়ীর গুলিতে
মারাত্মক আহত হন। মাথায়
গুলিবিদ্ধ হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা
হয় এবং রাতেই তাকে
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর
দুদিন পর তাকে উন্নত
চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া
হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮
ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।
হাদি
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪
ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল
জাবের একটি হত্যাচেষ্টা মামলা
দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটিতে দণ্ডবিধির
৩০২ ধারা যুক্ত করে
এটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। থানা
পুলিশের হাত ঘুরে মামলার
তদন্তের দায়িত্ব পায় ডিবি পুলিশ।
তদন্ত শেষে সাবেক ওয়ার্ড
কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও সাবেক ছাত্রলীগ
কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭
জনকে আসামি করে গত ৬
জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার
অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।
অভিযোগপত্রভুক্ত
অন্য আসামিরা হলেন: প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে
রাহুল ওরফে দাউদ, তার
বাবা মো. হুমায়ুন কবির,
মা হাসি বেগম, স্ত্রী
সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো.
নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে
পালাতে সহায়তার অভিযোগে সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম,
মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু, এবং
হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের
ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল, মো.
আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ,
সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম
চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার।
এই আসামিদের মধ্যে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও
তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পরবর্তীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করে। তবে ডিবির
দেওয়া এই অভিযোগপত্র নিয়ে
আপত্তি তুলে গত ১৫
জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী
আব্দুল্লাহ আল জাবের। আদালত
সেই আবেদনটি গ্রহণ করে অধিকতর তদন্তের
স্বার্থে মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করার
নির্দেশ দেয়।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরেক দফা পিছিয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৭ জুন নতুন দিন ঠিক করেছে আদালত।
রবিবার
ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
জশিতা ইসলামের আদালতে এই মামলার অধিকতর
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন
ধার্য ছিল। তবে মামলার
তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত সময়ে
প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি।
এর প্রেক্ষিতে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই
দিন ধার্য করে। প্রসিকিউশন বিভাগের
এসআই রুকনুজ্জামান আদালতের এই আদেশের তথ্য
নিশ্চিত করেছেন।
জুলাই
অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের
কার্যক্রম নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ব্যাপকভাবে
পরিচিতি পাওয়া ওসমান হাদি ত্রয়োদশ সংসদ
নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন
থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
গত ২০২৫ সালের ১২
ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায়
গিয়ে তিনি আততায়ীর গুলিতে
মারাত্মক আহত হন। মাথায়
গুলিবিদ্ধ হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা
হয় এবং রাতেই তাকে
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর
দুদিন পর তাকে উন্নত
চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া
হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮
ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।
হাদি
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪
ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল
জাবের একটি হত্যাচেষ্টা মামলা
দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটিতে দণ্ডবিধির
৩০২ ধারা যুক্ত করে
এটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। থানা
পুলিশের হাত ঘুরে মামলার
তদন্তের দায়িত্ব পায় ডিবি পুলিশ।
তদন্ত শেষে সাবেক ওয়ার্ড
কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও সাবেক ছাত্রলীগ
কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭
জনকে আসামি করে গত ৬
জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার
অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।
অভিযোগপত্রভুক্ত
অন্য আসামিরা হলেন: প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে
রাহুল ওরফে দাউদ, তার
বাবা মো. হুমায়ুন কবির,
মা হাসি বেগম, স্ত্রী
সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো.
নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে
পালাতে সহায়তার অভিযোগে সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম,
মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু, এবং
হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের
ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল, মো.
আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ,
সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম
চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার।
এই আসামিদের মধ্যে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও
তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পরবর্তীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করে। তবে ডিবির
দেওয়া এই অভিযোগপত্র নিয়ে
আপত্তি তুলে গত ১৫
জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী
আব্দুল্লাহ আল জাবের। আদালত
সেই আবেদনটি গ্রহণ করে অধিকতর তদন্তের
স্বার্থে মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করার
নির্দেশ দেয়।

আপনার মতামত লিখুন