ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেতা যাহের আলভী এবং তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলির বিরুদ্ধে দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে আলভীর স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর মামলাটি থানা পুলিশ থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হয়।
প্রসিকিউশন
পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম
এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত
১৪ মে মামলার তদন্তের
দায়িত্ব ডিবি পুলিশ পেয়েছে।’
মামলাটির
তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য দিন ধার্য
ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে
মামলার নতুন তদন্ত সংস্থা
ডিবি পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে না
পারায় আদালত পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এসআই সাইফুল ইসলাম
জানান, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আগামী ২৪ জুন প্রতিবেদন
জমার পরবর্তী দিন রেখেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর
ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং
ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায়
ফাঁস লাগানো অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন তার পরিবারের
সদস্যরা। এরপর বাসার মালিক
ও স্বজনরা মিলে তাকে দ্রুত
কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।
এই ঘটনার পর রাতেই ইকরার
বাবা কবির হায়াত খান
বাদী হয়ে পল্লবী থানায়
মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের
‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন
ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে
‘বাধ্য হয়েছেন’।
উল্লেখ্য,
২০১০ সালে অভিনেতা যাহের
আলভী ও ইকরার বিয়ে
হয়। দীর্ঘ দেড় দশকের এই
দাম্পত্য সংসারে তাদের একটি ছেলে সন্তান
রয়েছে। ইকরার মৃত্যুর পর তার পরিবারের
পক্ষ থেকে নির্যাতন ও
মানসিক প্ররোচনার যে অভিযোগ তোলা
হয়েছে, ডিবি পুলিশ এখন
সেই রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেতা যাহের আলভী এবং তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলির বিরুদ্ধে দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে আলভীর স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর মামলাটি থানা পুলিশ থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হয়।
প্রসিকিউশন
পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম
এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত
১৪ মে মামলার তদন্তের
দায়িত্ব ডিবি পুলিশ পেয়েছে।’
মামলাটির
তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য দিন ধার্য
ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে
মামলার নতুন তদন্ত সংস্থা
ডিবি পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিতে না
পারায় আদালত পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এসআই সাইফুল ইসলাম
জানান, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আগামী ২৪ জুন প্রতিবেদন
জমার পরবর্তী দিন রেখেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর
ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং
ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায়
ফাঁস লাগানো অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন তার পরিবারের
সদস্যরা। এরপর বাসার মালিক
ও স্বজনরা মিলে তাকে দ্রুত
কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।
এই ঘটনার পর রাতেই ইকরার
বাবা কবির হায়াত খান
বাদী হয়ে পল্লবী থানায়
মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের
‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন
ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে
‘বাধ্য হয়েছেন’।
উল্লেখ্য,
২০১০ সালে অভিনেতা যাহের
আলভী ও ইকরার বিয়ে
হয়। দীর্ঘ দেড় দশকের এই
দাম্পত্য সংসারে তাদের একটি ছেলে সন্তান
রয়েছে। ইকরার মৃত্যুর পর তার পরিবারের
পক্ষ থেকে নির্যাতন ও
মানসিক প্ররোচনার যে অভিযোগ তোলা
হয়েছে, ডিবি পুলিশ এখন
সেই রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন