রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে (চার্জগঠন) বিচার শুরু হবে কি না, তা জানা যাবে আগামী ৬ জুলাই।
আজ বুধবার (২০ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু।
তিনি বলেন, “আজ আসামিদের পক্ষে চার্জগঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৬ জুলাই এই বিষয়ে আদেশের জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।”
এদিন সকালে সালাম মুর্শেদীসহ অন্যান্য আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।
আসামিদের পক্ষের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, বোরহান উদ্দীন, শাহীনুর ইসলাম,খাদেমুল ইসলামসহ অনেকেই তাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি শেষ করেন। শুনানি শেষে আদালত চার্জগঠন বিষয়ে আদেশের জন্য নতুন করে এই তারিখ ধার্য করেন।
সালাম মুর্শেদী বাদে মামলার বাকি আসামি হলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন। পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে (চার্জগঠন) বিচার শুরু হবে কি না, তা জানা যাবে আগামী ৬ জুলাই।
আজ বুধবার (২০ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু।
তিনি বলেন, “আজ আসামিদের পক্ষে চার্জগঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৬ জুলাই এই বিষয়ে আদেশের জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।”
এদিন সকালে সালাম মুর্শেদীসহ অন্যান্য আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।
আসামিদের পক্ষের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, বোরহান উদ্দীন, শাহীনুর ইসলাম,খাদেমুল ইসলামসহ অনেকেই তাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি শেষ করেন। শুনানি শেষে আদালত চার্জগঠন বিষয়ে আদেশের জন্য নতুন করে এই তারিখ ধার্য করেন।
সালাম মুর্শেদী বাদে মামলার বাকি আসামি হলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন। পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন