ব্রিটিশ কাউন্সিল জানায়, বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীরা এখন একটি বহুভাষিক পরিবেশে বড় হচ্ছে, যেখানে অনেক সময়ই স্কুলের ভাষা ও ঘরের ভাষার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য থাকে। এই বাস্তবতায় প্রতিটি দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সামাজিক বাস্তবতা ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী উপযুক্ত ভাষানীতি নির্ধারণ করা উচিত।অবস্থানপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভাষা শিক্ষা নীতিকে শুধু ইংরেজি শিক্ষার প্রসার হিসেবে না দেখে একে একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষাসামগ্রী—সব ক্ষেত্রেই ভাষার সংবেদনশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এতে। বিশেষ করে যেসব দেশে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয়, সেখানে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়ন, পাঠ্য বোঝার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাতৃভাষার ভিত্তি শক্ত করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নতুন এই অবস্থানপত্র নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি ও স্কুল শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মাইকেল কনোলি বলেন, "ভাষা হলো শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। শিক্ষার্থীদের ভাষাগত বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নীতি প্রণয়ন করলে শ্রেণিকক্ষ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে এবং শেখার মান উন্নত হবে।"
অবস্থানপত্রে সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষকদের ভাষাগত দক্ষতা, স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে নীতির সামঞ্জস্য এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলে শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থানপত্রকে শিক্ষা নীতি নির্ধারক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাষাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ব্রিটিশ কাউন্সিল জানায়, বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীরা এখন একটি বহুভাষিক পরিবেশে বড় হচ্ছে, যেখানে অনেক সময়ই স্কুলের ভাষা ও ঘরের ভাষার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য থাকে। এই বাস্তবতায় প্রতিটি দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সামাজিক বাস্তবতা ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী উপযুক্ত ভাষানীতি নির্ধারণ করা উচিত।অবস্থানপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভাষা শিক্ষা নীতিকে শুধু ইংরেজি শিক্ষার প্রসার হিসেবে না দেখে একে একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষাসামগ্রী—সব ক্ষেত্রেই ভাষার সংবেদনশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এতে। বিশেষ করে যেসব দেশে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয়, সেখানে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়ন, পাঠ্য বোঝার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাতৃভাষার ভিত্তি শক্ত করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নতুন এই অবস্থানপত্র নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি ও স্কুল শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মাইকেল কনোলি বলেন, "ভাষা হলো শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। শিক্ষার্থীদের ভাষাগত বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নীতি প্রণয়ন করলে শ্রেণিকক্ষ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে এবং শেখার মান উন্নত হবে।"
অবস্থানপত্রে সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষকদের ভাষাগত দক্ষতা, স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে নীতির সামঞ্জস্য এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া কোনো শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলে শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থানপত্রকে শিক্ষা নীতি নির্ধারক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাষাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন