‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’— এই স্লোগান দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী সব মানুষের স্বার্থকে সামনে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। দেশের স্বার্থই সর্বাগ্রে অগ্রগণ্য। জাতীয় নির্বাচনকালে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল’ (বিএনপি)-এর এই স্লোগান বিজয়ের নীরব হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিল। আদিবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষ এ স্লোগানে উজ্জীবিত হয়েছিল। বৃহত্তর রাজনৈতিক দলটির নির্বাচনী ইশতেহারও তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিএনপি তাদের ইশতেহারে উল্লেখ করেছে, ‘এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়; এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই আমাদের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা— এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।’ জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে অন্যান্য নাগরিকদের মতো প্রান্তিক আদিবাসীরাও আশ্বস্ত হয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছেন, ভোট দিয়েছেন এবং ভোটের প্রতিফলনস্বরূপ বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।
আদিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, হামলা এবং উচ্ছেদের মতো পরিস্থিতির শিকার হয়ে আসছে। সহজ-সরল এই জনগোষ্ঠী দিন দিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে এবং বেঁচে থাকার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে। বারবার বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের ফলে ভাসমান জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান হারে গ্রাম থেকে শহরমুখী হওয়ার কারণে নিজেদের শেকড়, পরিচয় এবং ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে হস্তান্তরিত হচ্ছে না। ফলে ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ধীরে ধীরে তার স্বাতন্ত্র্য হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছে। স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানযোগ্য বিষয়গুলোতেও অনেক ক্ষেত্রে আদিবাসীদের প্রতি ন্যায়সংগত আচরণের পরিবর্তে পক্ষপাতমূলক মনোভাব দেখা যায়। এর ফলে তারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিজেদের অবদান সীমিত করে ফেলতে বাধ্য হয়। দুর্বল, প্রান্তিক, অন্ত্যজ ও সংখ্যালঘু আদিবাসীদের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা, ন্যায্যতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ব্যাহত হলে বাংলাদেশ কখনোই প্রকৃত অর্থে ‘সবার বাংলাদেশ’ হয়ে উঠবে না।
আদিবাসী নারীরা মাঠে-ময়দানে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে কাজ করে থাকেন। নারী-পুরুষের এই অংশীদারিত্ব আদিবাসী সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, নির্যাতন, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আদিবাসী নারীরা রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। একসময় তারা মূলত সমাজের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ থাকতেন। কয়েক দশক আগেও অধিকাংশ নারী ঘরকন্নার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে নিজেদের অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার প্রয়োজনে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন। এটি আদিবাসী সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, কোনো জনগোষ্ঠীর নারীরা যখন ধারাবাহিকভাবে লাঞ্ছনা, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ ও অপমানের শিকার হন, তখন তা সেই জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়ায়। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আদিবাসীদের ওপর যে মাত্রায় সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে, তা কোনো সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির বিষয়ে আদিবাসীদের মধ্যে কিছুটা সংশয় রয়েছে। এখন প্রয়োজন কথার সঙ্গে কাজের মিল। কারণ, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’— এই স্লোগানটি তাদেরও আশা ও প্রত্যাশার প্রতীক।
বাংলাদেশে প্রায় শতাধিক জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। কারও মাতৃভাষা এখনও জীবিত রয়েছে, আবার কারও ভাষা বিলুপ্তির পথে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, বাংলা ভাষাসহ প্রায় ৪১টি মাতৃভাষায় দেশের মানুষ যোগাযোগ করে থাকে। যেসব মাতৃভাষা বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কোল, কোডা, কড়া, ভুনজার, মুসহর, কোচ, রেমিংটচা, লালেং, শৌরা, কন্দ ও খাড়িয়াসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা উল্লেখযোগ্য। এসব জনগোষ্ঠী স্মরণাতীতকাল থেকে বাংলার ভূখণ্ডে বসবাস করে আসছে। দেশের বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সমৃদ্ধ করতে আদিবাসীদের প্রতি সরকারের বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন। সংখ্যালঘু আদিবাসীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব দায়সারাভাবে পালন করা চলবে না। কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নাগরিক অধিকার ও সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের আলোকে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীগুলোর জন্য সরকারকে আরও যত্নশীল হতে হবে।
বাংলাদেশ ও আদিবাসীদের সম্পর্ক মূলত এ দেশের বৈচিত্র্য ও বহুমাত্রিক সৌন্দর্যের প্রতীক। সমতল ও পাহাড়ে বসবাসকারী আদিবাসীরা তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জীবনধারার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন। তারা বাংলাদেশের কোনো বিচ্ছিন্ন অংশ নন; বরং এ দেশের অমূল্য সম্পদ। মা, মাটি ও মাতৃভূমির জন্য আদিবাসীদের অবদান অবিস্মরণীয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কিংবা মহান মুক্তিযুদ্ধ— প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি আদিবাসীদের মৌলিক অধিকার, ভূমির অধিকার এবং বিপন্ন মাতৃভাষাগুলো সংরক্ষণ করা রাষ্ট্র ও নাগরিক— উভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
[লেখক: কলামিস্ট]

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’— এই স্লোগান দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী সব মানুষের স্বার্থকে সামনে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। দেশের স্বার্থই সর্বাগ্রে অগ্রগণ্য। জাতীয় নির্বাচনকালে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল’ (বিএনপি)-এর এই স্লোগান বিজয়ের নীরব হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিল। আদিবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষ এ স্লোগানে উজ্জীবিত হয়েছিল। বৃহত্তর রাজনৈতিক দলটির নির্বাচনী ইশতেহারও তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিএনপি তাদের ইশতেহারে উল্লেখ করেছে, ‘এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়; এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই আমাদের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা— এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।’ জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে অন্যান্য নাগরিকদের মতো প্রান্তিক আদিবাসীরাও আশ্বস্ত হয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছেন, ভোট দিয়েছেন এবং ভোটের প্রতিফলনস্বরূপ বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।
আদিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, হামলা এবং উচ্ছেদের মতো পরিস্থিতির শিকার হয়ে আসছে। সহজ-সরল এই জনগোষ্ঠী দিন দিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে এবং বেঁচে থাকার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে। বারবার বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের ফলে ভাসমান জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান হারে গ্রাম থেকে শহরমুখী হওয়ার কারণে নিজেদের শেকড়, পরিচয় এবং ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে হস্তান্তরিত হচ্ছে না। ফলে ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ধীরে ধীরে তার স্বাতন্ত্র্য হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছে। স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানযোগ্য বিষয়গুলোতেও অনেক ক্ষেত্রে আদিবাসীদের প্রতি ন্যায়সংগত আচরণের পরিবর্তে পক্ষপাতমূলক মনোভাব দেখা যায়। এর ফলে তারা উদ্বিগ্ন, আতঙ্কিত এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিজেদের অবদান সীমিত করে ফেলতে বাধ্য হয়। দুর্বল, প্রান্তিক, অন্ত্যজ ও সংখ্যালঘু আদিবাসীদের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা, ন্যায্যতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ব্যাহত হলে বাংলাদেশ কখনোই প্রকৃত অর্থে ‘সবার বাংলাদেশ’ হয়ে উঠবে না।
আদিবাসী নারীরা মাঠে-ময়দানে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে কাজ করে থাকেন। নারী-পুরুষের এই অংশীদারিত্ব আদিবাসী সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, নির্যাতন, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আদিবাসী নারীরা রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। একসময় তারা মূলত সমাজের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ থাকতেন। কয়েক দশক আগেও অধিকাংশ নারী ঘরকন্নার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে নিজেদের অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার প্রয়োজনে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন। এটি আদিবাসী সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, কোনো জনগোষ্ঠীর নারীরা যখন ধারাবাহিকভাবে লাঞ্ছনা, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ ও অপমানের শিকার হন, তখন তা সেই জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়ায়। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আদিবাসীদের ওপর যে মাত্রায় সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে, তা কোনো সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির বিষয়ে আদিবাসীদের মধ্যে কিছুটা সংশয় রয়েছে। এখন প্রয়োজন কথার সঙ্গে কাজের মিল। কারণ, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’— এই স্লোগানটি তাদেরও আশা ও প্রত্যাশার প্রতীক।
বাংলাদেশে প্রায় শতাধিক জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। কারও মাতৃভাষা এখনও জীবিত রয়েছে, আবার কারও ভাষা বিলুপ্তির পথে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, বাংলা ভাষাসহ প্রায় ৪১টি মাতৃভাষায় দেশের মানুষ যোগাযোগ করে থাকে। যেসব মাতৃভাষা বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কোল, কোডা, কড়া, ভুনজার, মুসহর, কোচ, রেমিংটচা, লালেং, শৌরা, কন্দ ও খাড়িয়াসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা উল্লেখযোগ্য। এসব জনগোষ্ঠী স্মরণাতীতকাল থেকে বাংলার ভূখণ্ডে বসবাস করে আসছে। দেশের বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সমৃদ্ধ করতে আদিবাসীদের প্রতি সরকারের বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন। সংখ্যালঘু আদিবাসীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব দায়সারাভাবে পালন করা চলবে না। কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নাগরিক অধিকার ও সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের আলোকে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীগুলোর জন্য সরকারকে আরও যত্নশীল হতে হবে।
বাংলাদেশ ও আদিবাসীদের সম্পর্ক মূলত এ দেশের বৈচিত্র্য ও বহুমাত্রিক সৌন্দর্যের প্রতীক। সমতল ও পাহাড়ে বসবাসকারী আদিবাসীরা তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জীবনধারার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন। তারা বাংলাদেশের কোনো বিচ্ছিন্ন অংশ নন; বরং এ দেশের অমূল্য সম্পদ। মা, মাটি ও মাতৃভূমির জন্য আদিবাসীদের অবদান অবিস্মরণীয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কিংবা মহান মুক্তিযুদ্ধ— প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি আদিবাসীদের মৌলিক অধিকার, ভূমির অধিকার এবং বিপন্ন মাতৃভাষাগুলো সংরক্ষণ করা রাষ্ট্র ও নাগরিক— উভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
[লেখক: কলামিস্ট]

আপনার মতামত লিখুন