পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরে এক ভয়াবহ সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ হারানো ২২ সেনা কর্মকর্তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দেশটির মুজাফফরাবাদে অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশে নিহতদের শেষ বিদায় জানানো হয়।
নিহত সেনাসদস্যদের জানাজায় অংশ নেন তাদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বেসামরিক ও প্রশাসনিক শীর্ষ কর্মকর্তারা। এই শোকাতুর বিদায়লগ্নে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে নিহত সেনাসদস্যদের প্রতি বিশেষ সামরিক সম্মাননা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
এর আগে গত বুধবার (১১ জুন) পাকিস্তানের মুজাফফরাবাদ এলাকায় উড্ডয়নের পরপরই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি 'এমআই-সেভেনটিন' হেলিকপ্টার ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। আকাশযানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সাথে সাথেই ভেতরে থাকা ২২ জন আরোহীর সবাই ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
মূলত উড্ডয়নের সময় হঠাৎ দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
এই মর্মান্তিক ও আকস্মিক সেনা নিহতের ঘটনায় পুরো পাকিস্তানজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার পরপরই নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা, শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির প্রতিরক্ষা প্রধানসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরে এক ভয়াবহ সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রাণ হারানো ২২ সেনা কর্মকর্তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দেশটির মুজাফফরাবাদে অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশে নিহতদের শেষ বিদায় জানানো হয়।
নিহত সেনাসদস্যদের জানাজায় অংশ নেন তাদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বেসামরিক ও প্রশাসনিক শীর্ষ কর্মকর্তারা। এই শোকাতুর বিদায়লগ্নে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে নিহত সেনাসদস্যদের প্রতি বিশেষ সামরিক সম্মাননা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
এর আগে গত বুধবার (১১ জুন) পাকিস্তানের মুজাফফরাবাদ এলাকায় উড্ডয়নের পরপরই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি 'এমআই-সেভেনটিন' হেলিকপ্টার ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। আকাশযানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সাথে সাথেই ভেতরে থাকা ২২ জন আরোহীর সবাই ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
মূলত উড্ডয়নের সময় হঠাৎ দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
এই মর্মান্তিক ও আকস্মিক সেনা নিহতের ঘটনায় পুরো পাকিস্তানজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার পরপরই নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা, শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির প্রতিরক্ষা প্রধানসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন