সংবাদ

তিস্তার দুঃখ দূর করতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে


প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

তিস্তার দুঃখ দূর করতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন মন্ত্রী। ছবি : সংবাদ

পরিকল্পিত ড্রেজিং ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তা পাড়ের মানুষকে রক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, তিস্তা শুধু এই অঞ্চলের নয়, এটি সারা বাংলাদেশের দুঃখ। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতির ভিত আরও মজবুত হবে।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশ গজলডোবার গেটগুলো খুলে দেওয়ায় উজান থেকে আসা পানির তীব্র স্রোতে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের বসবাস কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি টিম নিয়ে আমরা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছি। পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন করা হবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে ২ থেকে ৭ বছর সময় লাগতে পারে। তবে এর সুফল যখন আসবে, তখন উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার মানুষের দুঃখ আনন্দে পরিণত হবে। এই অঞ্চল কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠবে। প্রকল্পটি একনেকে (ECNEC) পাসের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুলসহ মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


তিস্তার দুঃখ দূর করতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬

featured Image

পরিকল্পিত ড্রেজিং ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তা পাড়ের মানুষকে রক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, তিস্তা শুধু এই অঞ্চলের নয়, এটি সারা বাংলাদেশের দুঃখ। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতির ভিত আরও মজবুত হবে।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশ গজলডোবার গেটগুলো খুলে দেওয়ায় উজান থেকে আসা পানির তীব্র স্রোতে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের বসবাস কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি টিম নিয়ে আমরা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছি। পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন করা হবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে ২ থেকে ৭ বছর সময় লাগতে পারে। তবে এর সুফল যখন আসবে, তখন উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার মানুষের দুঃখ আনন্দে পরিণত হবে। এই অঞ্চল কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠবে। প্রকল্পটি একনেকে (ECNEC) পাসের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুলসহ মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত