‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন- আমি এবার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবো। তার দেওয়া ওয়াদা বাস্তবায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রকল্প দ্রুত একনেকে পাস হয়ে কাজ শুরু হবে।’
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা রেলসেতু এলাকায় এক পথসভায় এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
এর আগে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে তিস্তা নদীর অবস্থা পরিদর্শন করেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্ব পাওয়ার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফাইলপত্র নিয়ে কাজ শুরু করলে দেখতে পাই আরও কিছু কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। শুধু বাঁধ দেওয়া, ড্রেজিং করলেই হবে না, পানিও ধরে রাখতে হবে। বন্যায় যখন পানি আসে, তখন নদীর পাড় ভাঙে, হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি-দোকানপাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অন্যদিকে মার্চ-এপ্রিল মাসে নদীতে পানি থাকে না।’
তিনি বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে হাজার হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যদি নদীতে পানিই না থাকে, তাহলে সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তাই শুকনো মৌসুমে কীভাবে পানি তিস্তা নদীতে প্রবাহিত করা যায়, খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত করে কৃষি ও মাছ চাষে কাজে লাগানো যায়- সেটি নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
মন্ত্রী জানান, ‘আমরা মাত্র চার মাস হলো দায়িত্ব পেয়েছি। প্রকল্প গ্রহণের আগে বিশেষ কারিগরি সমীক্ষার প্রয়োজন। তাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক, বুয়েটের প্রকৌশলী, নদীবিশেষজ্ঞসহ ২২ জনের দল এই সফরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা তিনজন মন্ত্রী তিস্তাপাড় পরিদর্শন করলাম।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলামসহ বুয়েটের প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এর আগে পানিসম্পদ মন্ত্রী নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তা ব্যারেজ, তিস্তা সেচ খাল ও বিভিন্ন নদী পরিদর্শন করেন।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন- আমি এবার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবো। তার দেওয়া ওয়াদা বাস্তবায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রকল্প দ্রুত একনেকে পাস হয়ে কাজ শুরু হবে।’
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা রেলসেতু এলাকায় এক পথসভায় এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
এর আগে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে তিস্তা নদীর অবস্থা পরিদর্শন করেন তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্ব পাওয়ার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনার ফাইলপত্র নিয়ে কাজ শুরু করলে দেখতে পাই আরও কিছু কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। শুধু বাঁধ দেওয়া, ড্রেজিং করলেই হবে না, পানিও ধরে রাখতে হবে। বন্যায় যখন পানি আসে, তখন নদীর পাড় ভাঙে, হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি-দোকানপাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অন্যদিকে মার্চ-এপ্রিল মাসে নদীতে পানি থাকে না।’
তিনি বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে হাজার হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যদি নদীতে পানিই না থাকে, তাহলে সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তাই শুকনো মৌসুমে কীভাবে পানি তিস্তা নদীতে প্রবাহিত করা যায়, খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত করে কৃষি ও মাছ চাষে কাজে লাগানো যায়- সেটি নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
মন্ত্রী জানান, ‘আমরা মাত্র চার মাস হলো দায়িত্ব পেয়েছি। প্রকল্প গ্রহণের আগে বিশেষ কারিগরি সমীক্ষার প্রয়োজন। তাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক, বুয়েটের প্রকৌশলী, নদীবিশেষজ্ঞসহ ২২ জনের দল এই সফরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা তিনজন মন্ত্রী তিস্তাপাড় পরিদর্শন করলাম।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলামসহ বুয়েটের প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এর আগে পানিসম্পদ মন্ত্রী নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তা ব্যারেজ, তিস্তা সেচ খাল ও বিভিন্ন নদী পরিদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন